হাওড়া – এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলায় একের পর এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। কোথাও বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, আবার কোথাও ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ পড়ার ভয়ে সাধারণ মানুষ আত্মহত্যা করছেন। এই পরিস্থিতিতে বারবার এসআইআর পদ্ধতির ওপর প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই পদ্ধতির এক অমানবিক নজির সামনে এসেছে।
জানা গিয়েছে, শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী শিক্ষক অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোর করে বিএলও হিসেবে কাজ করানো হচ্ছিল। অভিযোগ, অনির্বাণ ৫০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী। জোর করে কাজ করানোর ফলে বাঁ পায়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।
ডোমজুড়ের সলপ-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩ নম্বর পার্টের বিএলও অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঁকুড়গাছির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, অনির্বাণের অতিরিক্ত হাঁটাচলা করা নিষেধ ছিল। এসআইআর চালু হওয়ার আগে পরিবারের তরফে তাঁর প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। তবুও জোরপূর্বক তাঁকে কাজ করানো হচ্ছিল।
অনির্বাণকে টানা দীর্ঘ হাঁটাচলা করাতে বাধ্য করা হয়েছিল। এ কারণে পায়ের সংক্রমণ ছড়িয়ে গুরুতর অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে। পরিবারের অভিযোগ, এই ঘটনায় অনির্বাণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তাঁদের কাছে চিকিৎসার সামর্থ্য নেই। জেলা শিক্ষা দপ্তর পরিবারকে সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি শাসকদলের নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে অনির্বাণের খোঁজখবর নিয়েছেন।




















