শীতলকুচি বিধানসভার অন্তর্গত মাথাভাঙ্গা ভোটের দিনে গুলিতে মৃত্যু হল চারজনের আহত বেশ কয়েকজন

শীতলকুচি বিধানসভার অন্তর্গত মাথাভাঙ্গা ভোটের দিনে গুলিতে মৃত্যু হল চারজনের আহত বেশ কয়েকজন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা ১০ এপ্রিল ২০২১ মাথাভাঙ্গা: বাংলার চতুর্থ দফার ভোটে মারাত্মক ঘটনা। শীতলকুচি বিধানসভার অন্তর্গত মাথাভাঙ্গার জোড়পাটকিতে গুলিতে মৃত্যু হয়েছে চার জনের। পরিবারের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর চালানো গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ওই চারজনের।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধু চারজনই নয়, আরও বেশ কয়েকজন গুলিতে আহত হয়েছে। কমিশনের তরফেও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে ওই চারজনের। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।ভোটের দিনকয়েক আগে থেকেই উত্তপ্ত হয়েছিল শীতলকুচি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গাড়িতে হামলার পর থেকে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ওই এলাকা। আর ভোটের দিন সকাল থেকে জোড়পাটকি এলাকা উত্তপ্ত হতে শুরু করে। মৃতদের পরিবারের দাবি, দু’পক্ষের ঝামেলার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চার জনের।আমতালিয়া এসকে স্কুলের ওই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা বাংলায়। মৃতদের পরিবারের দাবি, গোটা ঘটনার ভিডিও রয়েছে তাঁদের হাতে। আর সেই ভিডিও তোলার সময়ই আরও গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।প্রসঙ্গত, ভোট প্রচারে বারবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিশানা করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআরপিএফ সাধারণ মানুষকে বাধা দিচ্ছে, ভয় দেখাচ্ছে, এমনকী বিজেপিকে ভোট দিতে জোর করছে বলেও অভিযোগ তোলেন মমতা। এরপর মহিলাদের উদ্দেশে তিনি নির্দেশ দেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী ভয় দেখালে তাঁদের ঘেরাও করুন। মমতার সেই বার্তার পর তাঁকে নোটিশও পাঠায় নির্বাচন কমিশন।আর এরপরই মাথাভাঙ্গায় ঘটল এমন মর্মান্তিক ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এলাকার ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। সেই সময়ই হঠাৎই একটি ছেলেকে মারধর করতে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এরপরই এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তখনই গুলি চালায় বাহিনী। আর তাতেই মৃত্যু হয় চারজনের। কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিকল্পনা করেই গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ঘটনার পরই তৃণমূলের তরফে ক্ষোভ ব্যক্ত করে দোলা সেন বলেন, ‘মানুষ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শো কজ করছে। নিন্দনীয় ঘটনা। এর জবাব বিজেপিকে দেবে মানুষ।’ তবে, অন্য একটা অংশের দাবি, বুথের সামনে অযাচিত জমায়েত করা হচ্ছিল। তা ছত্রভঙ্গ করতেই গুলি চালাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

আরো পড়ুন…উত্তর দিনাজপুরে আসামি ধরতে এসে দুষ্কৃতী হামলায় মৃত্যু হল বিহারের কিশোরগঞ্জের পুলিশ ইন্সপেক্টরের

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top