শুরু হলো ৩১ তম বর্ষের ‘আন্তর্জাতিক বিষ্ণুপুর মেলা’

শুরু হলো ৩১ তম বর্ষের ‘আন্তর্জাতিক বিষ্ণুপুর মেলা’

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,বাঁকুড়া , ২৪ শে ডিসেম্বর : শুরু হলো ৩১ তম বর্ষের ‘আন্তর্জাতিক বিষ্ণুপুর মেলা’। ১৯৮৮ সালে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও প্রসার, চারু, কারু ও হস্ত শিল্পের প্রদর্শণ, বিপনন ও বিকাশ, লোক সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে এই মেলার সূচণা হয়। পরে এই মেলা ‘আন্তর্জাতিক’ মেলার শিরোপা পায়। বিষ্ণুপুর মেলাকে কেন্দ্র করে ফি বছর লক্ষ লক্ষ পর্যটক এখানে ছুটে আসেন। রবিবার এই মেলার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট পুরাতত্ত্ববিদ চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা, জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস, মহকুমাশাসক (বিষ্ণুপুর) মানস মণ্ডল, সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্ম্মুখ প্রমুখ।

 

৩১ তম বর্ষের এই মেলার এবারের থিম ‘জেলার পর্যটন ও হস্তশিল্প’। সেই হিসেবে জেলার কুটির শিল্পকে তুলে ধরতে ‘যামিনী রায় আর্ট গ্যালারি’ নামে মেলার মাঠে আস্ত এক গ্রামের পরিবেশ তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে জোড় মন্দির যাওয়ার পথে খড়ের ছাউনি আর পাটের দেওয়ালে গ্রাম বাংলার কুঁড়ে ঘরের আদলে ৬৪ টি স্টল তৈরী করা হয়েছে। মেলা কমিটির সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গেছে, কুটির শিল্পীদের জন্য এই ৬৪ টি স্টল বরাদ্দ করা হয়েছে।৭ পাশাপাশি তাঁত ও বস্ত্র, হ্যাণ্ডলুম শিল্পীদের জন্য ১০ টি, সরকারী ও বেসরকারী দপ্তরের ১০ টি ও ‘বাংলার মুখ’ বিভাগে বিভিন্ন জেলার ১০ টি মোট ৯৯ টি স্টল থাকছে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার মেলার পরিধি অনেকটাই বেড়েছে। শহরের নন্দলাল মন্দিরের সামনে ফাঁকা মাঠ, জোড় মন্দির সংলগ্ন ফাঁকা মাঠ ওখ হাই স্কুল মাঠে মেলা বসবে। মেলার মঞ্চ গুলির নাম বাঁকুড়ার তিন কৃতি সন্তান যদুভট্ট, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় ও গোপেশ্বরের নামে করা হয়েছে। মেলার দিন গুলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ব্যাপক বৈচিত্র রয়েছে। প্রতিদিন ঐ তিন মঞ্চে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি কলকাতা ও মুম্বাইয়ের প্রথিতযশা শিল্পীরা অনুষ্ঠানে করবেন। এছাড়াও এই মেলার মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন ধরণের উন্নয়ন প্রকল্প যেমন কন্যাশ্রী, সবুজ সাথী, সবুজশ্রী, লোকপ্রসার, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ ও বাংলার আবাস যোজনার মতো আলু প্রকল্প গুলিকে মেলায় বিশেষ ভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এছাড়াও এবারই প্রথমবার মহকুমা শাসক মানস মণ্ডলের বিশেষ উদ্যোগে স্থানীয় তরুণ-তরুণীরাও কলকাতা-মুম্বাইয়ের পেশাদার মডেলদের সাথে র্যাম্পে হাঁটার সুযোগ পাবেন। যেখানে মূলত তুলে ধরা হবে বিষ্ণুপুরের বালুচরী, স্বর্ণচরী, সোনামুখী শিল্কের নানান পোষাক ও ডোকরা, টেরাকোটার গয়ণা। এছাড়াও একেবারে মেলার শেষ দিন দুপুরে থাকছে ‘সারমেয় প্রদর্শণী’।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top