দিল্লি – ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয় সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রক। চিঠিতে অনুরোধ করা হয়, ভারতীয় হাইকমিশনার যেন তা দিল্লির বিদেশ মন্ত্রকে পৌঁছে দেন। রবিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এবার প্রথমবার প্রতিক্রিয়া দিল ভারত।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশের করা অনুরোধ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বুধবার মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারত বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা এবং অন্তর্ভুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাংবাদিকরা যখন বাংলাদেশ থেকে আসা চিঠি নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখন রণধীর বলেন, “হ্যাঁ, আমাদের কাছে একটি অনুরোধ এসেছে। এটি বিচারবিভাগীয় ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
এটি প্রথমবার নয়। এর আগেও ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে অনুরোধ করেছিল ঢাকা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরই বাংলাদেশ কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছিল ভারতের কাছে।
সম্প্রতি শেখ হাসিনা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আদালত। অন্যদিকে, রাজসাক্ষী হওয়ায় এক পুলিশ কর্তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইবুনাল। হাসিনা ও আসাদুজ্জামান বর্তমানে ফেরার হওয়ায় তাঁদের বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
ঢাকায় গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। দেশ ছেড়ে ভারতে এসে আশ্রয় নেন তিনি। তারপর থেকেই ভারতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।




















