রাজ্য – কিছু রাজনৈতিক দল রাজ্যে সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখার সংকল্প ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংহতি দিবসে X হ্যান্ডেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি একতার বার্তাও দেন। মমতা লিখেছেন, “বাংলার মাটি একতার মাটি। এই মাটি রবীন্দ্রনাথের মাটি, নজরুলের মাটি, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি—এই মাটি কখনো মাথা নত করেনি বিভেদের কাছে, আগামীদিনেও করবে না। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, বৌদ্ধ—সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে জানি। আনন্দ আমরা ভাগ করে নিই। কারণ আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব সবার। যারা সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বালিয়ে দেশকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। সকলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন।”
অনুষ্ঠানের পোস্টার শেয়ার করে একতার বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ধ্বংস হয়েছিল বাবরি মসজিদ। এরপর থেকে প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর সংহতি দিবস পালন করছে তৃণমূল। এবারও কর্মসূচির দায়িত্বে রয়েছে তৃণমূলের ছাত্র ও যুব সংগঠন।
শনিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু ও প্রতিনিধিরা। সাংগঠনিক এবং প্রশাসনের সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে। মূলত কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা ও হাওড়ার ছাত্র-যুবদের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে। বুধবার সন্ধ্যায় নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রস্তুতির খুঁটিনাটি বিষয়গুলি চূড়ান্ত করা হয়।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘুদের নিশানা করে রাজ্যে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। সেই কারণে এই সভায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের দিকে নজর থাকবে সকলের। সংহতি ও একতার বার্তাকে সামনে রেখে শান্তি বজায় রাখাই此次 কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।




















