দীর্ঘ আড়াই মাস পর প্রায় ফের সমতল থেকে পাহাড়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলো টয় ট্রেন। তবে প্রথম দিনেও প্রায় যাত্রী শূন্য। শুক্রবার সকালে দুজন যাত্রী নিয়ে শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশ্য রওয়ানা দেয় ট্রেনটি। বেশ কিছুদিন আগে উত্তরের ঘোর বর্ষনের কারণে সমতল ও পাহাড়গামী জাতীয় সড়কে ধসের জেরে
দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল সমতল থেকে পাহাড় মুখী টয়ট্রেন চলাচল। প্রায় আড়াই মাস খেলনাগাড়ি সমতল থেকে দার্জিলিং টয়ট্রেন পরিষেবা বন্ধ ছিল। উত্তরের বিপর্যয়ে পাহাড়ের বিভিন্ন রুটে ধস নামলেও জেলা প্রশাসনের তরফে ২৪-৪৮ঘন্টার মধ্যে সারাই করে সচল করা হয়, তবে শিলিগুড়ি ও পাহাড়ের সংযোগকারী জাতীয় সড়ক ৩১ ধসের জেরে ক্ষতিগ্রস্থ সারাইয়ে সময় লাগে।জাতীয় সড়কের ওপর খেলনা ট্রেনের ট্র্যাকও দ্রুত সারাই করে তুলতে পারেনি রেল।
বেশ কয়েক মাস সময় লেগে যায়। যার জেরে ঠিক আড়াই মাস সময় পেড়িয়ে এদিন এনজেপি থেকে দার্জিলিংগামী খেলনা ট্রেনের জয় রাইডের যাত্রা পুনরায় শুরু করা হয়। এদিকে রেলের টয়ট্রেনের সঙ্গে সাড়ম্বরে পার্সেল ভ্যানের পরিষেবা উদ্বোধনের পরদিন থেকেই মুখ থুবড়ে পড়ে। অন্যদিকে ধসে ক্ষতিগ্রস্থ অংশ মেরামতের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এতদিন নিউ জলপাইগুড়ি থেকে বাসে করে পর্যটকদের কার্শিয়াং -এর কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
আর ও পড়ুন পথ কুকুরদের খাবারের সাথে কীটনাশক খাইয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ
সেখান থেকে জয় রাইডে ঘুম পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ ছিল। তবে হেরিটেজ টয়ট্রেনের স্বাদ নেওয়ার মাঝের বাসযাত্রার এই বাধার কারনে ঐতিহ্যবাহী টয়ট্রেনের ওপর থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে পর্যটকেরা। এরপর প্রায় ইঞ্জিন থেকে যন্ত্রণ শত্রুতার জেরে মাঝরাস্তায় ট্রেন থমকে যাওয়ার নিত্য সমস্যা হেরিটেজ তকমাবাহি টয়ট্রেনের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে পর্যটকদের।
উত্তর পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক জানান বাসযাত্রা করে জয় রাইড চাপা পর্যটকদের কাছে খুব একটা সুখকর ছিল না তা ঠিক। এদিন সমতল থেকে পাহাড়গামী নিয়মিত যে জয়রাইড পরিষেবা বন্ধ ছিল তা চালু করা হলো। পর্যটকদের সেভাবে সারা না মেলার কারন হিসেবে তিনি বলেন কিছুদিন সাময়িক সময়ের জন্য এনজেপি থেকে দার্জিলিংগামী টানা পরিষেবা বন্ধ ছিল। তারওপর বর্তমানে কোভিড বিধিনিষেধের জেরে পর্যটকদের সংখ্যা কিছুটা কমেছে।


















