১৩ ডিসেম্বর, চলছে মাঝ ডিসেম্বর, কিন্তু গায়ে উঠল না তেমন গরম পোশাক।ডিসেম্বরের সেই ঠান্ডা এখনও তেমন উপলব্ধি করতে পারছে না কেউই।রাতের দিকে ঠাণ্ডা লাগলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়ছে তাপমাত্রার পারদ। ফলে শুধুমাত্র রাতের বেলায় শীতকালকে উপলব্ধ করা যাচ্ছে।আর এই ঠান্ডা গরমেই মানুষ আরও বেশি রোগে পড়ছে বিশেষ করে ছোটোরা।সর্দি-কাশি, বুকে শ্লেষ্মা বা কফ জমার সমস্যা শুরু হয়েছে ঘরে ঘরে। তবে এই সমস্যা কে সাধারণ ভেবে অনেকেই ভুল করে থাকেন। কিন্তু এতে অজান্তেই যে বিপদ বাড়তে পারে এ ধারণা হয়তো নেই।সঠিক সময়ে এই সমস্যার চিকিৎসা না করালে শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।আর তাই বুকে কফ জমা বা সর্দি-কাশির সমস্যার উপশমের জন্য জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া উপায়।
১। লেবু ও মধুর মিশ্রণ প্রতিদিন খান, যা আপনার গলার সংক্রমণ কমাবে।
২। সর্দি-কাশির সমস্যায় বেশি করে জল পান করুন। কারণ জল শ্লেষ্মা পাতলা করে এবং সহজেই শরীর থেকে বের করতে সাহায্য করে।
৩। সর্দি কাশির সময় উষ্ণ জলে লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সেটি পানের অভ্যাস করুন।সাথে গ্রিন টিও খেতে পারেন।
৪। গলা খুসখুসের সমস্যা হলে আদা কুচি দিয়ে ও সামান্য মধু মিশিয়ে দু কাপ জল ফুটিয়ে খান।কারণ, আদা-মধুর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান গলার গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া কমায় এবং ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৫।প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ মধু হচ্ছে ওষধিগুণসম্পন্ন একটি ভেষজ তরল।
৬। কলা হচ্ছে নন-অ্যাসিডিক ও লো-গ্লাইসেমিক ফল, যা ঠান্ডা লাগা বা সর্দি ভাব কমাতে সাহায্য করে।
৭। গলায় ব্যথা অনুভব হলে গরম জলে দশ বার গার্গেল করতে পারেন, যা ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।এছাড়াও উষ্ণ জলেতে নুন মিশিয়ে নিয়ে দিনে দু’বার করে ভাপ নিন।



















