
২৪ এপ্রিল, লকডাউনের মধ্যেই অব্যাহত রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত।“আপনি মনোনীত, আমি নির্বাচিত”, রাজ্যপালকে লেখা কড়া চিঠি নিজেই জনসমক্ষে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের বক্তব্য ঘিরেই মুখ্যমন্ত্রী ৫ পাতার চিঠি লেখেন।মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির পাল্টা জবাব দেন রাজ্যপালও।

মুখ্যমন্ত্রীর চিঠিতে ছত্রে ছত্রে রয়েছে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ।তিনি তার চিঠিতে আম্বেদকরের কোথাও উল্লেখ করেন।তিনি লেখেন, “আমার মনে হয় আপনি ভুলে গিয়েছেন যে, আমি নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। আপনি মনোনীত রাজ্যপাল। আপনি আমার ও মন্ত্রিসভার পরামর্শ অগ্রাহ্য করতে পারেন কিন্তু আম্বেদকরের কথা উপেক্ষা করা আপনার উচিত নয়। আমার ও মন্ত্রীসভার কাজে হস্তক্ষেপ করছেন কেন?” তিনি আরও লেখেন, “আপনার মন্তব্য আমার অফিসকে অপমান করেছে ও আমাকে হতবাক করেছে”। ১৯৪৯ সালের আম্বেদকরের কথাও তিনি মনে করিয়ে দেন তার লেখার দ্বারা।আম্বেদকর রাজ্যপালকে নিয়ে যা বলেছিলেন সেগুলোই উল্লেখ করেন।”আপনার নিজেকে বিচার করা উচিত, আপনি আমাকে ও আমার অফিসের কর্মচারীদের আক্রমণ করেছেন।আপনার বলা কথা অসাংবিধানিক”।

মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি পেয়ে রাজ্যপাল পাল্টা জবাব দেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের এই চিঠি চালাচালি নতুন মাত্রা যোগ করল।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় দলকে অসহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রাজ্যপালের।মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির জবাবে ৫ পাতার চিঠিতে রাজ্যপাল লেখেন, “আপনার এরূপ দৃষ্টিভঙ্গি জানতে পেরে এই প্রথম উপকৃত হলাম।তথ্যগতভাবে ভুল এবং সাংবিধানিকভাবে দুর্বল সাথে আপনি ব্যর্থ। সংবিধানকে আপনারা অবজ্ঞা করছেন। রাজ্যের মানুষ ত্রাণ নিয়ে প্রচন্ড কষ্টের মধ্যে আছেন। আমি যা করব, তা সংবিধানের আওতা থেকেই করব।” সাথে তিনি এও বলেন, ‘আমার এই অবস্থানকে দুর্বল বলে ভুল বুঝবেন না।’



















