সাত আধিকারিক সাসপেন্ড ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর সরব অবস্থান, কমিশনের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন

সাত আধিকারিক সাসপেন্ড ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর সরব অবস্থান, কমিশনের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – রাজ্যের সাত আধিকারিককে সাসপেন্ড করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কারও চাকরি যাচ্ছে না। আপাতত তাঁদের নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও অন্য প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত করা হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন তিনি।
মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে Mamata Banerjee নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন। কমিশনের সিদ্ধান্তকে ‘তুঘলকি’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সাত আধিকারিককে সাসপেন্ড করার আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, তাঁদের দোষ কী তা কি জানতে চাওয়া হয়েছিল? তাঁর মতে, যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে, তা রাজ্য সরকারকে জানিয়ে তদন্তের সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু কোনও তদন্ত ছাড়াই শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনের কাজ থেকে সাময়িকভাবে সরানো হলেও তাঁদের চাকরি বা ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও অনিশ্চয়তা নেই। প্রয়োজনে পদোন্নতির বিষয়েও বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।
সাসপেন্ড হওয়া সাত আধিকারিক হলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্বের দুই এইআরও সত্যজিৎ দাস ও জয়দীপ কুন্ডু, জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরী, মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ দাস, সুতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার এইআরও দেবাশিস বিশ্বাস। নির্বাচন কমিশন সরাসরি তাঁদের সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয়।
মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, ভোট ঘোষণার আগেই কেন এই পদক্ষেপ নেওয়া হল? তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনের উপর অযথা চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র নামে সংখ্যালঘু, তফসিলি ও গরিব মানুষদের টার্গেট করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এক বিএলও-র মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, মৃত্যুর আগে একটি সুইসাইড নোট লেখা হয়েছিল বলেই জানা গিয়েছে। সেই ঘটনায় কমিশনের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে সরকার চুপ করে থাকবে না।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top