স্বামীকে খুন করে কাটা মুন্ডু হাতে থানায় মহিলা, এলাকায় আতঙ্ক

স্বামীকে খুন করে কাটা মুন্ডু হাতে থানায় মহিলা, এলাকায় আতঙ্ক

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

বছরের পর বছর স্বামীর অত্যাচারের শিকার হয়েছে। দিনের পর দিন সমস্ত শারীরিক ও মানসিক লাঞ্ছনা মুখ বুজে সহ্য করেছেন। কিন্তু শেষমেশ সহ্যের বাঁধ ভাঙে। দীর্ঘদিনের জমানো ক্ষোভ উগরে দিতে স্বামীকে নৃসংহভাবে খুন করে মহিলা। শুধু তাই নয়, স্বামীর কাটা মুন্ডু নিয়ে সে সোজা হাজির হয় স্থানীয় থানায়।

এর আগে মহিলার কাটা কুন্ডু নিয়ে কোনও ব্যক্তির থানায় হাজির হওয়ার একাধিক ঘটনা শিরোনামে এসেছে। এবার এক মহিলা চমকে দিল পুলিশকে। গত মঙ্গলবারের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যকর ছড়িয়েছে অসমের লখিমপুর জেলায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলার নাম গণেশ্বরী বার্কাটাকি। বয়স ৪৮ বছর। বছর পঞ্চান্নর মুধিরাম দীর্ঘদিন ধরেই তার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত। সেই অমানবিক অত্যাচারের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতেই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে স্ত্রী। মঙ্গলবার রাতে দায়ের কোপ মেরে স্বামীকে মেরে তার কাটা মুন্ডু একটি প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে পাঁচ কিলোমিটার পথ হেঁটে থানায় আসে মাজগাঁওয়ের ওই মহিলা। আচমকাই কাটা মুন্ডু হাতে ঢালপুর থানায় তাকে দেখে রীতিমতো হকচকিয়ে যান পুলিশ কর্তারা।

পুলিশি জেরায় গণেশ্বরী বলে, “অনেক বছর ধরে স্বামী আমায় মারধর করত। অনেক সময় আমার উপর কুড়ুল নিয়েও আক্রমণ করেছে। গুরুতর আহতও হয়েছি বহুবার। অনেকদিন আগেই ভেবেছিলাম, স্বামীকে ছেড়ে চলে যাব। কিন্তু পাঁচ সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সেটা পারিনি। কিন্তু যখন অত্যাচার সহ্যের সীমা ছাড়াল তখন বাধ্য হয়েই ওকে খুন করি। আমি ওকে না মারলে ও-ই আমায় মেরে ফেলত।” পুলিশ জানায়, স্বামীকে খুন করে থানায় আত্মসমর্পণ করে ওই মহিলা। অভিযুক্তর বয়ান সত্যি কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার মহিলাকে আদালতে তোলা হলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top