হাওড়ার দেউলগ্রামে ছাতা ফিটিংয়ের কাজেই সংসারে উষ্ণতা, আত্মনির্ভরতার পথে শতাধিক মহিলা

হাওড়ার দেউলগ্রামে ছাতা ফিটিংয়ের কাজেই সংসারে উষ্ণতা, আত্মনির্ভরতার পথে শতাধিক মহিলা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



হাওড়া- “শীতের কাঁথা আর বর্ষার ছাতা”—এই কথার বাস্তব প্রতিচ্ছবি মিলছে হাওড়ার বাগনানের দেউলগ্রামে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে লড়তে ছাতা ফিটিংকেই রোজগারের হাতিয়ার করেছেন ওই গ্রামের শতাধিক মহিলা। ছাতা তৈরির এই ঘরোয়া শিল্পে নিপুণভাবে কাজ করে তাঁরা দিনে দিনে হয়ে উঠছেন সংসারের অবলম্বন।

জানা গিয়েছে, প্রতিদিন ৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন এই মহিলারা। এক ডজন ছাতা ফিটিংয়ের জন্য পাওয়া যাচ্ছে ২০ টাকা। অনেকেই গৃহস্থালির সমস্ত কাজ সামলে দিনে ১০ ডজন পর্যন্ত ছাতা ফিটিং করতে সক্ষম হচ্ছেন, যা তাঁদের স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

এই কাজে যুক্ত মহিলারা জানিয়েছেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিং এবং অতিরিক্ত রোদের কারণে বর্তমানে কালো রঙের ছাতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ফলে এই পণ্যের বাজারে স্থায়ী চাহিদা থাকায় কাজের জোগানও নিয়মিত রয়েছে।

স্থানীয় মহিলারা জানান, আগে শুধুমাত্র পরিবারের খরচ চালাতেন স্বামীরা। কিন্তু বর্তমান বাজারদর ও অভাবের পরিস্থিতিতে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তাঁরা। শুধু অর্থ উপার্জন নয়, এই কাজ তাঁদের আত্মবিশ্বাসও ফিরিয়ে দিয়েছে।

এই ছোট উদ্যোগে যেমন স্বাবলম্বিতা আসছে, তেমনই গ্রামীণ অর্থনীতিতেও তৈরি হচ্ছে এক নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত—যেখানে মহিলারাই হয়ে উঠছেন পরিবর্তনের মুখ।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top