মুর্শিদাবাদ – ফের নতুন বিতর্কের মুখে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। বাবরি মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে ‘সৌদির ক্কারী’ পরিচয় ঘিরে জল্পনা যখন থামেনি, তখনই সামনে এল আরেক তথ্য—যে আট জন বাউন্সারকে হায়দরাবাদ থেকে এসেছে বলে দাবি করেছিলেন হুমায়ুন, তাঁরা নাকি আসলে কলকাতার। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই বেজায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিধায়ক, দাবি করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে এবং তিনি প্রতারিত হয়েছেন।
তৃণমূলের সাসপেনশনের পর থেকেই হুমায়ুন কবীর বারবার জীবনসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়েই আগামী তিন মাসের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া করেছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছিলেন, এক শিল্পপতি তাঁর নিরাপত্তার জন্য হায়দরাবাদ থেকে আট জন বাউন্সার পাঠিয়েছেন। সেই মতোই গত কয়েক দিন তাঁর পাশেই দেখা গিয়েছিল ওই বাউন্সার দলকে।
কিন্তু বুধবার রাতেই সামনে আসে চমকপ্রদ তথ্য—বাউন্সাররা হায়দরাবাদের নয়, তাঁরা কলকাতার স্থানীয় নিরাপত্তাকর্মী। বিষয়টি জানামাত্রই নাকি হুমায়ুন তাঁদের কাজ থেকে অব্যাহতি দেন। তাঁর দাবি, যে সংস্থার সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছিলেন তারা জানিয়েছিল বাউন্সাররা নথি সংক্রান্ত জটিলতায় বিমানবন্দরে আটকে আছে। পরে জানতে পারেন, তাঁর সঙ্গে থাকা বাউন্সারদের কেউই হায়দরাবাদের নয়।
ঘটনাকে বড়সড় চক্রান্ত বলেই দাবি বিধায়কের। তাঁর অভিযোগ, “এত বৃহত্তর চক্রান্ত চলছে যে আমি খেই হারিয়ে ফেলছি। যাঁদের হায়দরাবাদি বলে জানতাম, পরে জানলাম তাঁরা সকলেই কলকাতার।”




















