রাজ্য – Humayun Kabir-কে দেওয়া রাজ্য সরকারের দুই নিরাপত্তা বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তিনি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছিলেন। এরপরই রাজ্য সরকারের দেওয়া দেহরক্ষীরা প্রত্যাহার করা হয়, যা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভরতপুরের এই বিধায়ক। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক ঔদ্ধত্য দেখাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ সুপারকে ফোন করলেও কেউ ফোন ধরেননি।
প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি ও দলবিরোধী আচরণের অভিযোগে All India Trinamool Congress তাঁকে বহিষ্কার করে। এরপর তিনি নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন। পরে একাধিকবার তিনি নিরাপত্তা নিয়ে হুমকির অভিযোগ তোলেন এবং এক ব্যবসায়ী তাঁর নিরাপত্তায় বাউন্সার নিয়োগ করেছেন বলেও দাবি করেন। প্রথমে বলা হয়েছিল ওই বাউন্সাররা হায়দরাবাদ থেকে এসেছেন, কিন্তু পরে জানা যায় তাঁরা সকলেই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। এরপরই তিনি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁকে ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে, যেখানে ১৩ জন নিরাপত্তা কর্মী তাঁকে ঘিরে রাখছেন। এরপরই রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী তুলে নেওয়া হয়। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার বিরোধীদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করছে। তাঁর দাবি, জানুয়ারি মাসে নিরাপত্তার জন্য আদালতে আবেদন করার সময় রাজ্য সরকার দাবি করেছিল যে তাঁর বাড়ির কাছে নিয়মিত মোবাইল পেট্রোল ভ্যান মোতায়েন থাকে, যদিও বাস্তবে তা ২০০ মিটার দূরে মোড়ে অবস্থান করত।
৪ মার্চ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পৌঁছলেও তিনি তখন একটি কর্মসূচিতে ছিলেন। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় তাঁর গাড়িতে রাজ্য সরকারের দুই দেহরক্ষী ছিল, কিন্তু বহরমপুর পুলিশ লাইন থেকে ফোন করে তাঁদের সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতর শুরু হয়েছে।




















