রাজ্য – ভোটের ময়দানে একের পর এক প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর মাঝেই ব্যতিক্রমী প্রচারে নজর কেড়েছেন Humayun Kabir। মঙ্গলবার সাদা-সবুজ হেলিকপ্টারে চেপে প্রচারে নেমে পড়েন তিনি। বেলডাঙা থেকে উড়ে গিয়ে মুর্শিদাবাদের ডোমকল ও রেজিনগরে সভা করেন ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র এই নেতা। তবে এত আয়োজন সত্ত্বেও প্রথম দুই সভায় ভিড় না হওয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
জানা গেছে, হেলিকপ্টারকে সামনে রেখে বিরোধীদের জোটে আসার ডাক দিয়েছিলেন Humayun Kabir। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া মেলেনি। এমনকি হেলিপ্যাডে কৌতূহলী কিছু মানুষের ভিড় দেখা গেলেও সভাস্থলে বহু চেয়ারই ফাঁকা ছিল। ফলে তাঁর এই অভিনব প্রচার কৌশল কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ভিড় কম হওয়ায় কিছুটা হতাশ হলেও হুমায়ুন জানিয়েছেন, তিনি ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত হেলিকপ্টার ভাড়া করে রেখেছেন এবং মোট ৫০টি সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এতদিন ধরে বেসরকারি হেলিকপ্টার ভাড়া রাখার জন্য বিপুল অর্থ কোথা থেকে আসছে, তা নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। কে বা কারা এই খরচ বহন করছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রসঙ্গত, বেলডাঙা থেকে ডোমকল বা রেজিনগরের মতো এলাকায় গাড়িতে যাতায়াত করতে খুব বেশি সময় লাগে না। তবুও স্বল্প দূরত্বে হেলিকপ্টার ব্যবহারে অনেকেই এটিকে ‘ভোটের মার্কেটিং’ হিসেবেই দেখছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ ও হাসাহাসি শুরু হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক Kunal Ghosh কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, এটি শুধুই প্রচারের কৌশল এবং মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা। তাঁর দাবি, সভায় লোকসমাগম কম হওয়ার সম্ভাবনা বুঝেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, হেলিকপ্টার চেপে প্রচার শুরু করেও প্রত্যাশিত জনসমর্থন না পাওয়ায় এখন চাপে পড়েছেন Humayun Kabir। আগামী দিনে তাঁর এই প্রচার কৌশল কতটা ফলপ্রসূ হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।



















