
১৫ এপ্রিল, সারা বিশ্ব করোনার প্রকোপে জর্জরিত।বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাসকে দমনের ভ্যাকসিন তৈরী করার জন্য দিন-রাত চেষ্টা করে চলেছে।করোনাভাইরাসের উৎস জানার চেষ্টা করে চলেছেন গবেষকরা।দিন কয়েক আগেই নিউইয়র্কে বাঘের শরীরে করোনার সন্ধান মিলেছিল, যা রীতিমতো উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছিল। কারণ, এযাবৎকাল শুধু মানবশরীরেই এই প্রাণঘাতী ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য মিলেছিল। এরইমধ্যে ফের সামনে এল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। ICMR-এর গবেষকরা দেশের ৪ রাজ্যে দুটি প্রজাতির বাদুড়ের মধ্যে করোনভাইরাস (সিওভি)-এর হদিশ পেলেন।
আইসিএমআরের তথ্য অনুযায়ী মনে করা হচ্ছে যে, নয়া করোনাভাইরাসের বাহক কিংবা উৎস এই দুই প্রজাতির বাদুড় হলেও হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, এই ২ প্রজাতির বাদুড়ের থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে কিনা, সেটা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করে জানায়ানি দুই গবেষণা সংস্থা। চাঞ্চল্যকর এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব মেডিক্যাল রিসার্চে।
বাদুড়ে করোনাভাইরাস রয়েছে কিনা তা জানার জন্য ২০১৮-১৯ সালে সংগৃহীত মেডিয়াস এবং রাউসটাস প্রজাতির বাদুড়ের লালারস নিয়ে পরীক্ষা চালান তাঁরা এবং সেই পরীক্ষায় বাদুড়ের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। ২০০১ সালে যখন নিপা ভাইরাস মাথাচাড়া দিয়েছিল ভারতে, সংক্রামিত প্রায় ৬৬ এবং মৃত্যু কম করেও ৪৫, সেই সময় আইসিএমআর এবং এনআইভির রিপোর্ট বলেছিল, ফল খাওয়া বাদুড়েরাই এই ভাইরাসের বাহক। এরপর ২০০২ সালে সার্স ভাইরাসের সংক্রমণের সময়েও বাহক হিসেবে এই বাদুড়ের নামই করা হয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে, করোনাভাইরাস সোয়াইন ফ্লু-এর থেকেও ১০ গুণ বেশি প্রাণঘাতী। সারা বিশ্বে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য জোরকদমে গবেষণা চলছে।


















