৭০ জনকে ছাঁটাই করেছিল সংস্থা, ৬৭ জনকেই ফের চাকরিও খুঁজে দিলেন সিইও!

৭০ জনকে ছাঁটাই করেছিল সংস্থা, ৬৭ জনকেই ফের চাকরিও খুঁজে দিলেন সিইও!

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

ব্যাঙ্গালোর- খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে এবং নতুন ভাবে সমস্ত বিভাগকে ঢেলে সাজানোর উদ্দেশ্যে একলপ্তে ৭০ জনকে ছাঁটাই করেছিল বেঙ্গালুরুর একটি সংস্থা। কিন্তু সেই সকল কর্মীদের হাত সেখানেই ছেড়ে দেয়নি ওই সংস্থা। এদের মধ্যে ৬৭ জনকে নতুন খুঁজে পেতে সাহায্য করা হয়েছে সংস্থাটির তরফ থেকে।চাকরি খোঁজার মাধ্যম লিংকডইনে সেই ঘটনার কথা শেয়ার করেছেন সংস্থাটির সিইও। তাঁকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সকলে।কথা হচ্ছে ‘ওকেক্রডিট’ নামক একটি সংস্থাকে নিয়ে। সিইও-র নাম হর্ষ পোখর্ন। তিনি লিখেছেন, ”১৮ মাস আগে আমরা ৭০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করেছিলাম। আমরা অনেক খরচ করে ফেলেছিলাম। অনেক কর্মীকে নিয়োগ করে ফেলেছিলাম। সেটা আমাদের ভুল ছিল মানছি। একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এটা আমার করা সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটি ছিল। কিন্তু আমরা এটা সঠিক উপায়ে করার চেষ্টা করেছি।”



হর্ষ ছাঁটাইয়ের পর ‘ওকেক্রেডিট’ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলি তুলে ধরেন। তিনি জানিয়েছেন, ৭০ জন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে যোগাযোগ রাখা হয়েছিল। এছাড়াও, সংস্থার তরফ থেকে তাঁদের নতুন চাকরি খুঁজতে সহায়তা করার জন্য নানা রকম পদক্ষেপ করেছে। এই সহায়তায় ফলে ৬৭ জন কর্মচারী তাঁদের নোটিশ পিরিয়ড শেষ হওয়ার আগেই নতুন চাকরি পেয়ে গিয়েছেন। হর্ষ লিখেছেন, ”৬৭ জন নোটিশ পিরিয়ড শেষ হওয়ার আগেই নতুন চাকরি পেয়ে গিয়েছেন। যেই তিন জন চাকরি পাননি, তাঁদের সংস্থার তরফ থেকে দুই মাসের অতিরিক্ত মাইনে দেওয়া হয়েছে।”



ওকেক্রেডিট সিইও তাঁর সংস্থার পদ্ধতি এবং বর্তমান প্রযুক্তি শিল্পে ছাঁটাইয়ের মধ্যে একটি স্পষ্ট বৈপরীত্য তুলে ধরেছেন। যেখানে অনেক কর্মীকে ইমেলের মাধ্যমে তাঁদের ছাঁটাই সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে। এমনকি একটি ফোন কল ছাড়াই। তিনি লিখেছেন, “এই বছর এক লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। এবং তাঁদের অনেকেই একটি ফোনও পাননি। কেউ কেউ ব্লক করা ইমেলের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। কাউকে দিনের মাঝখানে প্রজেক্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা অমানবিক। হ্যাঁ, ছাঁটাই ঘটে। কিন্তু আপনি কীভাবে তাদের পরিচালনা করেন তা আপনার সংস্কৃতি সম্পর্কে সবকিছু বলে। আমি জানি এই বিষয়ে আলোচনা করা কঠিন। কিন্তু আপনি যখন প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিলেন তখন আপনি এটির জন্য প্রথম থেকেই তৈরি ছিলেন। আপনি যদি কাউকে নিয়োগের সময় ‘পরিবার’ বলে থাকেন, তবে তাঁদের ছেড়ে দেওয়ার সময় তাঁদের সঙ্গে পরিবারের মতো আচরণ করুন।”হর্ষের পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছে। ছাঁটাই পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর সহানুভূতিশীল এবং বিবেচ্য পদ্ধতির জন্য সকলেই তাঁর প্রশংসা করেছেন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top