নিজস্ব সংবাদদাতা,দঃ ২৪ পরগনা,৮ ই মার্চ : জামাইয়ের হাতে আক্রান্ত শশুর এবং শ্যালক। ভাঙড়ের কাশিপুর থানার নাটাপুকুরের ঘটনা। আহত অবস্থায় শশুর ইয়ার আলী মোল্লা ও শ্যালক রবিউল মোল্লা কে জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত জামাই আলাউদ্দিন মোল্লা। কাশিপুর থানার নাটক পুকুরের বাসিন্দা ইয়ার আলী মোল্লার মেয়ে সাদীকার সঙ্গে বিয়ে হয় জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন মোল্লার। প্রায় দশ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। তাদের দুটি সন্তানও আছে। ইয়ার আলী মোল্লা প্রথমে দিকে কাজ করলেও গত কয়েক বছর সেই ভাবে কোন কাজ করত না। ফলে সংসারে নেমে এসেছিল অভাব। অভাবের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। একাধিকবার মারধর করা হয়েছিল সাদিকাকে।
এই দেখে সাদি কার বাবা ইয়ার আলী মোল্লা নিজের মেয়ে ও তার দুই সন্তানকে গত এক বছর ধরে দেখাশোনার ভার নিয়ে আসছে। বিগত কয়েক দিন ধরে জামাই আলাউদ্দিন মোল্লা শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া আসা শুরু করেছিল। শ্বশুর বাড়িতে এসেই ইয়ার আলী মোল্লা সহ রবিউল মোল্লা দের হুমকি দিতে শুরু করে। তার সন্তান ও স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আলাউদ্দিন বেকার হওয়ায় পাঠাতে চাই ছিল না ইয়ার আলী। গত রাতেও আলাউদ্দিন এসে মেয়েকে না পাঠালে মারার হুমকি দিয়ে যায়। সেই হুমকির পর আজ সকালে শ্বশুর বাড়িতে এসে বেধড়ক মারধর করে ইয়ার আলী মোল্লাকে। খবর পেয়ে তার ছেলে রবিউল মোল্লা বাধা দিতে গেলে তাকেও বেধড়ক মারধর করে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় আলাউদ্দিন। ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। ইয়ার আলী মোল্লার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এখন সাদিকা বিবি নিজে সোচ্চার হয়েছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। বাবা এবং ভাইয়ের মারার অভিযোগে শাস্তি চায় তার স্বামীর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোটা ঘটনা কাশিপুর থানায় জানানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাশিপুর থানার পুলিশ।
জামাইয়ের হাতে আক্রান্ত শ্বশুর এবং শ্যালক
জামাইয়ের হাতে আক্রান্ত শ্বশুর এবং শ্যালক
Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



















