বাগানের শ্রমিক আন্দোলনের ওপর ভর করেই রাজনীতিতে উত্থান ঘটেছিল জন বার্লার। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর দলের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত মিললেও এতদিন তাঁকে কোনও ট্রেড ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। ডুয়ার্সের প্লাবন পরিস্থিতিতেও তাঁকে কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকতে হয়েছিল। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জন বার্লাকে পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করেছেন—এমন খবর জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন।
এই বিষয়ে জন বার্লা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে কথায় জানিয়েছিলেন। তবে এখনও তিনি সরকারি আদেশনামা পাননি। দায়িত্ব পেলে যথাসাধ্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।
সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান ও প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ আহমেদ হাসান ইমরান জানিয়েছেন, ভাইস চেয়ারম্যানের দুটি পদ রয়েছে, তার মধ্যে একটি খালি। সরকার যাকে নিয়োগ করবে, কমিশন তাকে স্বাগত জানাবে।
ডুয়ার্সের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ জন বার্লা ২০১৯ সালে বিজেপির টিকিটে আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে জিতে সাংসদ হন এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্বও পান। তবে ২০২4 সালে বিজেপি তাঁকে প্রার্থী না করায় ক্রমেই দূরত্ব তৈরি হয়। অবশেষে ১৫ মে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। কলকাতায় তৃণমূল ভবনে গিয়ে রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও জয়প্রকাশ মজুমদারের হাত থেকে পতাকা তুলে নেন।
তৃণমূলে যোগদানের সময়ই আলোচনা ছিল যে তাঁকে সংখ্যালঘু কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান করা হবে। ১৪ অগস্ট কমিশনের বিধি সংশোধন করে সেই পথও তৈরি হয়। এবার সেই পদেই তাঁর মনোনয়ন রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।




















