খেলা – চোট যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। একের পর এক আঘাতে দীর্ঘদিন ধরে মাঠের বাইরে নেইমার। কিন্তু মনের জোর কমছে না তাঁর। ডাক্তারের আপত্তি উড়িয়েই মাঠে নেমে ছোটবেলার ক্লাব স্যান্টোসকে জেতালেন ব্রাজিলীয় তারকা। অবনমন আতঙ্কে থাকা স্যান্টোসকে এগিয়ে দিলেন গোল করে। একই সঙ্গে যেন নিজের অস্তিত্ব জানান দিলেন তিনি—বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সি ফের গায়ে চাপাতে মরিয়া নেইমার।
দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে তিনি। ব্রাজিল কোচ কার্লো আন্সেলোত্তির আগামী বছরের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় নেইমারের জায়গা নাও হতে পারে, এমন জোর জল্পনা চলছে। যোগ্যতা অর্জন পর্বে ডাক পাননি। দু’বছরেরও বেশি সময় হলো তাঁর গায়ে ওঠেনি বিখ্যাত হলুদ জার্সি। বারবার চোটের ধাক্কা তাঁকে স্থায়ী তালগোল পাকিয়ে দিয়েছে—এক ম্যাচে ফর্মের ইঙ্গিত, পরের ম্যাচেই চোটে ছিটকে যাওয়া।
এমন পরিস্থিতিতে স্পোর্ট রেসিফের বিরুদ্ধে স্যান্টোসের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাঁর খেলা নিয়েও সংশয় ছিল। চোট নিয়ে মাঠে নামতে ডাক্তারদের আপত্তি ছিল স্পষ্ট। তবুও সব উড়িয়ে মাঠে নেমে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন নেইমার। শেষ পর্যন্ত স্যান্টোস জেতে ৩-০ ব্যবধানে এবং অবনমন আতঙ্ক থেকেও মুক্তি পায়।
তবে এত নিষ্ঠা দেখিয়েও কি ব্রাজিল দলে ফেরার দরজা খুলবে? জাতীয় দলের অধিনায়ক মারকিউনোস এই বিষয়ে আশাবাদী। তাঁর কথায়, “নেইমারের কাজটা সহজ নয়। তবে ও যদি ফিট থাকে, ফর্ম ফিরে পায়, তাহলে কামব্যাক সম্ভব। আমি চাইব নেইমার বিশ্বকাপে খেলুক।”




















