রাজ্য – উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নতুন সেমিস্টার পদ্ধতি নিয়ে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগে ফের রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, সেমিস্টার পদ্ধতির পরীক্ষায় পড়ুয়াদের থেকে আলাদা করে সেন্টার ফি আদায় করছে রাজ্য সরকার। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়, ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নাম নথিভুক্তিকরণের সময় নির্ধারিত ফি–র পাশাপাশি বাড়তি অর্থ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের।
এই দাবি ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কে পরিষ্কার বার্তা দিয়ে সামনে আসেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রেস বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে জানান, শুভেন্দু অধিকারী ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছেন। রাজ্য সরকার যেহেতু সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ দেয়, তাই পরীক্ষার অতিরিক্ত কোনও ফি নেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। পাশাপাশি তিনি CBSE বোর্ডের ২০২৫ সালের পরীক্ষার ফি–র নোটিশও তুলে ধরেন, যাতে বোঝানো যায় যে কেন্দ্রের বোর্ডগুলিতেই পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট ফি নেওয়া হয়, রাজ্যে নয়।
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বিজ্ঞপ্তিতেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে সেমিস্টার পদ্ধতির পরীক্ষার জন্য যে অতিরিক্ত খরচ হবে, তা সম্পূর্ণ বহন করছে বিদ্যালয় শিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যে সংসদকে ১১ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা অনুমোদন করেছে রাজ্য। ফলে পড়ুয়াদের বরাবরের বার্ষিক ফি ছাড়া বাড়তি কোনও টাকা দিতে হচ্ছে না। সরকারই বহন করছে পরীক্ষার অতিরিক্ত সব খরচ। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধ করে সত্যিটাই জনগণের সামনে থাকা উচিত।




















