দিল্লি — ইন্ডিগোর অচলাবস্থা পঞ্চম দিনেও কাটল না। শনিবারও দেশজুড়ে বাতিল হয়েছে একাধিক ফ্লাইট। টানা চারদিন ধরে চলা এই বিশৃঙ্খলার মাঝে শুক্রবার একদিনেই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল, বৃহস্পতিবারও বাতিল হয়েছিল ৫৫০টির বেশি। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েই চলেছে। এদিকে দিল্লি বিমানবন্দর জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। যাত্রীদের আগে থেকেই ফ্লাইট স্ট্যাটাস দেখে এয়ারপোর্টে পৌঁছোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইন্ডিগোর এই বিপর্যয়কে কেন্দ্র করে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের স্বার্থরক্ষায় দায়ের হয়েছে একটি জনস্বার্থ মামলা। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আদালতকে সুয়োমোটো নজরদারির আবেদন জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক এবং ডিজিসিএ-কে বিস্তারিত স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়েছে।
ডিজিসিএ জানিয়েছে, নতুন পাইলট ডিউটি-আওয়ার নিয়ম কার্যকর করার ক্ষেত্রে পরিকল্পনার ঘাটতি এবং প্রয়োজনীয় পাইলট-সংখ্যা অনুমানে ভুল থেকেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিমানমন্ত্রী রামমোহন নায়ডু স্পষ্টভাবে বলেছেন, গোটা ঘটনার দায় এয়ারলাইন্সেরই—অন্য কোনও সংস্থা এমন সমস্যায় পড়েনি।
এদিকে ইন্ডিগোর সিইও পিটার এলবার্স ক্ষমা চেয়ে জানিয়েছেন, ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ধীরে ধীরে পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ইন্ডিগোর বিশাল নেটওয়ার্ক ও ক্রু-অপারেশনের জটিলতা বিবেচনা করলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।




















