স্বামীকে পাকিস্তানে রেখে দিল্লিতে দ্বিতীয় বিয়ে! নরেন্দ্র মোদির কাছে ন্যায় চাইলেন নিকিতা নাগদেব

স্বামীকে পাকিস্তানে রেখে দিল্লিতে দ্বিতীয় বিয়ে! নরেন্দ্র মোদির কাছে ন্যায় চাইলেন নিকিতা নাগদেব

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



দেশ – পাকিস্তানের নাগরিক নিকিতা নাগদেব দাবি করছেন, স্বামী বিক্রম নাগদেব তাঁকে করাচিতে রেখে দিল্লিতে দ্বিতীয় বিয়ের আয়োজন করছেন। এ অভিযোগ নিয়ে নিকিতা ইতিমধ্যেই ভারতে মামলা দায়ের করেছেন। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

নিকিতার অভিযোগ, ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি করাচিতে তাঁর বিয়ে হয় পাক বংশোদ্ভূত বিক্রম নাগদেবের সঙ্গে। দীর্ঘমেয়াদি ভিসা নিয়ে ভারতের ইন্দোরে থাকতেন তিনি। প্রথমে স্বামীর সঙ্গেই ছিলেন নিকিতা, কিন্তু পরে বিক্রম তাঁকে আটারি সীমান্তে পাঠিয়ে দেন করাচিতে। এরপর আর ভারতে আনার চেষ্টা করেননি। নিকিতা জানাচ্ছেন, “আমি বারবার স্বামীকে অনুরোধ করি আমাকে ভারতে নিয়ে আসতে। কিন্তু প্রত্যেকবারই তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এরপর জানতে পারি, তিনি আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন।”

নিকিতা আরও বলেন, শ্বশুরবাড়ি থেকেও তাঁকে কোনও সমর্থন মেলেনি। “শ্বশুরমশাই বলেছিলেন, ছেলেরা তো প্রেম করেই। এতে কিছু করার নেই।” করোনাকালে বিক্রম জোর করে পাকিস্তানে পাঠান নিকিতাকে, এরপর আর ভারতে ফিরিয়ে আনার কোনো চেষ্টা হয়নি। আবেগপ্রবণ কণ্ঠে নিকিতা বলেন, “ভারতে প্রত্যেক মহিলার ন্যায় পাওয়ার অধিকার আছে। আজ যদি ন্যায় না পাই, মহিলাদের ন্যায়বিচারের ওপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাবে। শ্বশুরবাড়িতে অনেক নারী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। আমি সকলের সমর্থন চাই।”

নিকিতা অভিযোগ করেছেন, বিক্রম দিল্লিতে এক মহিলাকে বিয়ে করতে চলেছেন। যেহেতু তাদের প্রথম বিবাহ বৈধ, তাই এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। ভারতীয় আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, নোটিস পাঠানো হয়েছে বিক্রম ও তাঁর সম্ভাব্য নতুন স্ত্রীর কাছে। মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের নির্দেশে সিন্ধি পঞ্চ মেডিয়েশন অ্যান্ড লিগাল কাউন্সেল সেন্টারে শুনানি হলেও বলা হয়েছে, দুই পক্ষই পাকিস্তানের নাগরিক হওয়ায় বিষয়টি পাকিস্তানের এক্তিয়ারে পড়ে। বিক্রমকে পাকিস্তানে পাঠানোর সুপারিশ করা হলেও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য নিকিতা মোদির দ্বারস্থ হয়েছেন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top