খেলা – দুটি লক্ষ্য নিয়েই মুল্লানপুরে নামছে ভারতীয় দল—এক, অবশ্যই সিরিজ জয়; এবং দুই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা। মাত্র দু’মাসের মধ্যে দেশের মাঠে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগে চলমান সিরিজগুলোকে ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর কাজে লাগাতে চাইবেন। মূল লক্ষ্য হবে টিম কম্বিনেশন চূড়ান্ত করা এবং খেলোয়াড়দের ফর্ম যাচাই করা।
প্রথম ম্যাচে ভারতীয় ব্যাটিং ঠিক স্বস্তিদায়ক ছিল না। কটকে দেখা গেল, লোয়ার অর্ডারে একমাত্র হার্দিক পাণ্ডিয়া ব্যাটিংয়ে ছন্দ ফিরিয়েছেন। চোট সারিয়ে মাঠে ফেরা এই অলরাউন্ডার তার ইনিংস দিয়ে ম্যাচের রং বদলে দিয়েছেন। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে হার্দিক বলেছেন, “যেভাবে ব্যাটিং করেছি, তাতে আমি খুশি। উইকেট পুরোপুরি ব্যাটিং সহায়ক ছিল না। আমি নিজের শটগুলোকে ব্যাক করেছি। আমি সবসময় দলের প্রয়োজন অনুযায়ী খেলতে চাই। হার্দিক কী চাইছে তা নয়, দলের কী দরকার, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।”
হার্দিকের উজ্জ্বল ফর্মের সঙ্গে ভারতীয় বোলাররাও যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছেন। ভারতীয় বোলিংয়ের দাপটে দক্ষিণ আফ্রিকা মাত্র ৭৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। এই বোলিং দাপট দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার মুল্লানপুরে হবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। মোহালির পাশাপাশি নতুন স্টেডিয়ামটি প্রথমবার আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ব্যবহৃত হবে। এই স্টেডিয়ামে আইপিএলের ম্যাচ এবং কিছু মহিলা ম্যাচ হয়েছে। ব্যাটিং সহায়ক পিচের জন্য পরিচিত মুল্লানপুর এবারও ব্যতিক্রম নয়। স্টেডিয়ামটি তিন ভারতীয় ক্রিকেটারের—শুভমান গিল, অভিষেক শর্মা ও অর্শদীপ সিংয়ের—ঘরের মাঠ হিসেবে বিবেচিত। প্রথম ম্যাচে শুভমান ও অভিষেক রান পাননি; ঘরের মাঠে তারা বড় স্কোর করার আশা নিয়ে নামবেন।
টিম কম্বিনেশন পরিবর্তন হবে না বলে শোনা গেছে। জশপ্রীত বুমরাহ এবং অর্শদীপের সঙ্গে তৃতীয় পেসার হিসেবে থাকবেন হার্দিক। শিবম দুবে জায়গা পেয়েছেন। স্পিনাররা থাকবেন অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী। কটকের মতোই মুল্লানপুরেও জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ভারত। তবে একটাই চিন্তা—টপ অর্ডারের ফর্ম। সূর্যরাও আজ রানে ফিরতে পারবে কি না, সেটাই দলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।




















