রাজ্য – কেন্দ্রীয় অবজার্ভারের পর এবার এসআইআর পর্যায়ের শুনানি পর্যবেক্ষণের জন্য মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সকালে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে চিঠি পাঠিয়ে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের এই পদে নিয়োগ করতে হবে। চলতি মাসের ১২ তারিখে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের জন্য চিঠি দেওয়ার পর এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ৩০০০-এরও বেশি মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। শুনানির সময় প্রতি কক্ষে একজন করে মাইক্রো অবজার্ভার থাকবেন। তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে ইআরও এবং এইআরও-দের কাজ পর্যবেক্ষণ করা। এ ছাড়া এনুমারেশন ফর্ম, জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র যাচাই, ভোটার নথি যাচাই, ভোটার তালিকার অসঙ্গতি চিহ্নিত করা এবং পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ করা থাকবে। তারা কমিশনের চোখ ও কান হিসেবে কাজ করবেন এবং প্রশিক্ষণ পাবেন সিইও দপ্তর থেকে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত তারা সিইও-র অধীনে কাজ করবেন। প্রতিজন মাইক্রো অবজার্ভার এককালীন ৩০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পাবেন।
তবে কমিশন এদিনও শুনানি কবে শুরু হবে তা স্পষ্ট জানাতে পারেনি। সূত্রের খবর, শুনানির জন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে এবং সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়ায় শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে শুরুর তারিখ জানা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২৬ বা ২৭ তারিখ থেকে শুনানি শুরু হতে পারে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলা ছাড়া অন্য কোনো রাজ্যে এই পর্যায়ের মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের নজির নেই। পাশাপাশি শুনানির কাজের চাপের মধ্যে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় ৫৮ বছর বয়সী বিএলও প্রভাসকুমার দাসের মৃত্যু ঘটেছে। পরিবারের অভিযোগ, রাত জেগে এসআইআর-এর কাজের চাপের কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। ডায়মন্ড হারবারের কালীচরণপুরে তপন মণ্ডল নামে আরেক বিএলও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু স্ত্রী-র তৎপরতায় তিনি প্রাণে বেঁচে আছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।




















