রাজ্য – বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত হামলার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছেন। আজ কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-উচ্চায়োগের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, হিন্দুদের ওপর নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ না হলে আগামীতে ৫ লক্ষ গঙ্গাসাগর যাত্রীকে নিয়ে পুনরায় এই পদক্ষেপ পুনরাবৃত্তি করবেন।
এদিন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী উপ-উচ্চায়োগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, অধিকাংশ প্রশ্নেরই সদুত্তর দিতে পারেননি তারা। তিনি উল্লেখ করেন, “যদি শেখ হাসিনা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আশ্রয় দিতে পারেন, তবে কেন বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চলতে থাকবে? যারা মনে করেন এপারে ১০০ কোটি হিন্দু চুপচাপ থাকবে, তারা ভুল ভাবছেন।”
বিরোধী দলনেতা মমতা সরকারেরও সমালোচনা করেন। ২৩ ডিসেম্বর হিন্দু সংস্থা সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ ও গ্রেফতারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সীমানার ওপারে মহম্মদ ইউনুসের পুলিশ আর এপারে মমতা সরকারের পুলিশ—দুই পক্ষই প্রভুদের অন্ধ সেবা করছে।” পুলিশ উপ-উচ্চায়োগ চত্বরকে ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছিল, যাতে বিক্ষোভকারীরা দূতাবাসের ভিতরে প্রবেশ করতে না পারেন।
শুভেন্দু অধিকারী কয়েকশো হিন্দু সাধুকে সঙ্গে নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। তিনি জানান, “গঙ্গাসাগর মেলার সময় লক্ষাধিক সাধু উপস্থিত থাকবেন। আগামী বছরের শুরুতে আমি ৫ লক্ষ হিন্দু তীর্থযাত্রীকে নিয়ে পুনরায় উপ-উচ্চায়োগের দিকে মার্চ করব।” হিন্দু সংহতির কর্মীরা ৬ দফা দাবিসহ স্মারকলিপি মিশন অফিসে জমা দিয়েছেন, যার মধ্যে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা, উপাসনালয় রক্ষা এবং ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অন্তর্ভুক্ত।




















