রাজ্য – সামনের মাসে শুরু হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী গঙ্গাসাগর মেলা। সুষ্ঠুভাবে মেলা সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই সব ধরণের প্রস্তুতি জোরদার করেছে। আগুন নেভানোর ব্যবস্থা নিয়ে এবার বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। মেলায় থাকবে ১৮টি অস্থায়ী দমকলকেন্দ্র এবং ৫০টিরও বেশি ইঞ্জিন। কোনরকম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে দমকলের কর্মীসহ বুলেট বাইক।
মেলায় পুণ্যার্থীর সমাগম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে। অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে নদীর জলের পাশাপাশি জলাধার ও পাইপলাইনের জল ব্যবহার করা হবে। সাগরমেলা মাঠ, কচুবেরিয়া, হারউড পয়েন্ট, বেনুবন ও নামখানা পয়েন্টে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পাইপলাইন থেকে জল সরবরাহ করবে দমকল। এ ছাড়া প্রায় ৩০০ অতিরিক্ত জল সরবরাহ পয়েন্ট তৈরি করা হয়েছে।
দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু নিজে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন। তার সঙ্গে ছিলেন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা ও প্রশাসনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। কচুবেরিয়াতে যে সমস্ত জলাধার ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেগুলি ঘুরে দেখেছেন তিনি। সাগরে স্থায়ী দমকল কেন্দ্র থাকলেও এ বছরও অস্থায়ী কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে জলের ঘাটতি না হওয়ার জন্য ২২৪টি হাইড্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ১১টি রিজার্ভারে ১ লক্ষ ৩৬ হাজার লিটার করে জল সংরক্ষণ করা হয়েছে।
এবারের মেলার প্রস্তুতিতে মুড়ি গঙ্গার চড় বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ধারাবাহিক ড্রেজিং করার ফলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। পুণ্যার্থীদের যাতায়াত মসৃণ করতে সাগর দ্বীপে প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তা মেরামত ও সংস্কারের কাজের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।




















