পূর্ব মেদিনীপুর – বছর শেষে শীতের আমেজে পর্যটনক্ষেত্রগুলিতে ভিড় বাড়ছে। ছুটি পেলেই পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল—সবকিছু ঘুরতে যাচ্ছেন মানুষ। সুন্দরবনসহ দক্ষিণের পর্যটনকেন্দ্রগুলোও দর্শক দ্বারা ভরে যাচ্ছে। কিন্তু ঘুরতে গিয়ে মাঝসমুদ্রে ট্রলারের ইঞ্জিন আচমকাই বিকল হয়ে ২২ জন পর্যটকের জীবনের ওপর ভয়ংকর মুহূর্ত নেমে আসে। দ্রুত পুলিশের তৎপরতায় সকলে নিরাপদে উদ্ধার হন।
পাথরপ্রতিমা থেকে দিঘা আসার পথে শনিবার রাতে এই বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন পর্যটকরা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা থেকে একটি ট্রলার ভাড়া করে দিঘার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন ২২ জন পর্যটক। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আধ ঘণ্টা আগে মাঝসমুদ্রে ট্রলারের ইঞ্জিন আচমকাই বিকল হয়। বিপদ বুঝে ট্রলারের কর্মীরা ওয়্যারলেসের মাধ্যমে দিঘা কোস্টাল থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিঘা কোস্টাল থানার উদ্ধারকারী একটি দ্রুত ভেসেল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘন অন্ধকারে ট্রলারের মধ্যে কার্যত মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন পর্যটকরা। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় একে একে ২২ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয় এবং দ্রুতগতির ভেসেলে রাতেই দিঘার ডাঙায় ফিরিয়ে আনা হয়।
একপর্যটক বলেন, “পুলিশ না থাকলে এই যাত্রায় বেঁচে থাকা সম্ভব হত কি জানি না।” এই ঘটনায় পুর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানিয়েছেন, জেলা পুলিশের হেল্পলাইন নম্বর (৭০৪৭৯৮৯৮০০) ব্যবহার করে যাত্রীরা সাহায্য চেয়েছিলেন। এর ফলে দ্রুত উদ্ধার সম্ভব হয়। পর্যটকরা পুলিশের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।




















