রাজ্য – ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল রাজ্যে। খসড়া ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ তথা বারাসতের চারবারের সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদারের পরিবারের একাধিক সদস্যকে শুনানিতে হাজির হওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।
নোটিশ পাঠানো হয়েছে কাকলি ঘোষদস্তিদারের দুই চিকিৎসক পুত্র—বিশ্বনাথ দস্তিদার ও বৈদ্যনাথ দস্তিদারকে। পাশাপাশি শুনানিতে ডাকা হয়েছে তাঁর ৯০ বছর বয়সি মা ইরা মিত্র এবং ছোট বোন পিয়ালি মিত্রকেও। পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে এই নোটিশ জারি হতেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।
এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে কাকলি ঘোষদস্তিদার সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, প্রায় ৫০ বছর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পরেও যদি একজন সাংসদের পরিবারের সদস্যদের এভাবে নোটিশ পাঠানো হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কতটা হয়রানি চলছে, তা সহজেই অনুমেয়। তাঁর অভিযোগ, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে মানুষকে আতঙ্কিত ও হেনস্তা করার চেষ্টা।
কাকলির কথায়, “আমার ক্ষেত্রেই যদি এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে বাংলার সাধারণ মানুষ কী অবস্থার মধ্যে পড়ছেন, তা ভাবলেই শিউরে উঠতে হয়।” এই অভিযোগকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে এবং এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।




















