মার্কিন–ভেনেজুয়েলা তেল ইস্যুতে হাই‑ভোল্টেজ আন্তর্জাতিক বিতর্ক

মার্কিন–ভেনেজুয়েলা তেল ইস্যুতে হাই‑ভোল্টেজ আন্তর্জাতিক বিতর্ক

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিদেশ – বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে আমেরিকায় ভেনেজুয়েলা থেকে তেল নেওয়ার বিষয়টি এখন শুধু “মাদক বেছে জব্দ” বা কোনো অভিযোগ‑ভাঁওতা নয় — এ এক বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পরিণত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা করেছেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল অননুমোদিত (sanctioned) তেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর করবে এবং বাজারমূল্যে তা বিক্রি হবে, যার আয়ের নিয়ন্ত্রণ তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে করবেন বলে জানিয়েছেন।
ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দাবি করছেন, তেলের প্রবেশই আসল উদ্দেশ্য ছিল — মাদক বিক্রির মতো অভিযোগ ভাঁওতা বা অগ্রাহ্য কৌশল মাত্র। কিন্তু বাস্তবে তার লক্ষ্য ছিল ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল ভাণ্ডার ও জ্বালানি সম্পর্কিত শক্তিকে মার্কিন স্বার্থে কাজে লাগানো. আন্তর্জাতিক খবরের প্রতিবেদনগুলো বলছে, ভেনেজুয়েলার সাথে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের তেল রপ্তানির একটি চুক্তিও হয়েছে, যাতে তেলের একটা বড় অংশ সরাসরি মার্কিন বাজারে যাবে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ব পুঁজি ও ভূরাজনৈতিক বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। রাশিয়া এবং চীনের মতো শক্তিগুলি এর বিরোধিতা করছে এবং অনেক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞই বলছেন এই ধরনের তেল‑নেতৃত্বাধীন পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা ও শক্তির সংঘর্ষকে আরও তীব্র করতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিংহভাগ বিশ্লেষক মনে করছেন, ভেনেজুয়েলার তেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুযোগ দিচ্ছে জ্বালানি বাজারে নিজের অবস্থান সুরক্ষিত ও সম্প্রসারিত করার পাশাপাশি বিশ্ব বাণিজ্যে প্রভাব বাড়াতে। তবে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এটি শুধু অর্থনৈতিক লেনদেন নয় — এতে রয়েছেন রাজনৈতিক চাপ, নিরাপত্তা ইস্যু ও শক্তির খেলা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top