আইপ্যাক ইডি অভিযানের প্রতিবাদে দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদদের ধর্না, পুলিশের হস্তক্ষেপ ঘিরে তীব্র বিতর্ক

আইপ্যাক ইডি অভিযানের প্রতিবাদে দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদদের ধর্না, পুলিশের হস্তক্ষেপ ঘিরে তীব্র বিতর্ক

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – বৃহস্পতিবার কলকাতায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসে ইডি অভিযানের রেশ এবার ছড়াল জাতীয় রাজনীতিতেও। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বাইরে ধর্না-বিক্ষোভে বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ। ইডি অভিযানের প্রতিবাদ জানাতেই দিল্লিতে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন তাঁরা।
তবে অভিযোগ, সেখানে বিক্ষোভের অনুমতি নেই—এই যুক্তিতে দিল্লি পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং তৃণমূল সাংসদদের টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেয়। পুলিশের এই আচরণ ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।
এই ঘটনায় কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “এরা ধর্ষকদের জামিন দেয়, আর প্রতিবাদীদের জেলে পুরে দেয়।” তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিষেক আরও লেখেন, “আজ গণতন্ত্রকে শাস্তি দিয়ে অপরাধীদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ভোট লুট করা হচ্ছে। এটাই বিজেপির নতুন ভারত।” তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এখানেই থামেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সরাসরি বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “বিজেপির চাপে গোটা দেশ আত্মসমর্পণ করলেও বাংলা করবে না। বাংলা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেই। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে বিজেপির সব দাঁত আর নখ ভেঙে দেব। দেখি, কত ক্ষমতা লাগাতে পারে।”
আইপ্যাক ইডি অভিযানকে কেন্দ্র করে দিল্লি ও কলকাতা—দু’জায়গাতেই রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে। এই ঘটনার প্রভাব আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও কতটা গভীর হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top