নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও হারবে তৃণমূল, পুরুলিয়া থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ শুভেন্দু অধিকারীর

নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও হারবে তৃণমূল, পুরুলিয়া থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ শুভেন্দু অধিকারীর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


পুরুলিয়া – পুরুলিয়ার জনসভা থেকে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, ভবানীপুরেও হারাব।” তাঁর দাবি, ২০১১ সালে পরিবর্তনের আশায় মানুষ তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল, কিন্তু সেই পরিবর্তন হয়নি। প্রকৃত পরিবর্তন হবে ২০২৬ সালে, যখন পশ্চিমবঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠন করবে।
রাজ্যে চলা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, রাজ্যের ভোটার তালিকায় তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাম ঢুকিয়ে রেখেছে, যারা তাদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে পুরুলিয়ার সভা থেকেই বড় ভবিষ্যদ্বাণী করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “১৪ ফেব্রুয়ারির পর তৃণমূল বলবে তারা আর ভোটে লড়বে না।” তাঁর যুক্তি, ওই দিন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে তাতে কোনও মৃত, ভুয়ো, রোহিঙ্গা বা বাংলাদেশি মুসলমান ভোটারের নাম থাকবে না। স্বচ্ছ ভোটার তালিকাতেই ভোট হবে এবং তখনই বাংলায় পরিবর্তন নিশ্চিত হবে বলে দাবি করেন তিনি।
বিজেপির আরও দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি নাম বাদ যেতে পারে, যাদের অধিকাংশই অনুপ্রবেশকারী। যদিও নির্বাচন কমিশন এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি, ঠিক কতজন রোহিঙ্গা বা বাংলাদেশি ভোটারের নাম তালিকায় রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই প্রসঙ্গে কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।
এর আগেও ভোট চুরির অভিযোগ তুলে কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি ছিল, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের অজুহাতে ইভিএম থেকে দূরে বসিয়ে ভোট কারচুপি করা হয়েছিল। এদিন ফের চ্যালেঞ্জের সুরে তিনি বলেন, “আমরা জাতীয় দল, আমরা সামনে বসব। তৃণমূল আঞ্চলিক দল, ওদের পিছনে বসাব।”
অতীতের ভোটের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই বিজেপি এবার সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামছে বলে জানান বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “২১ আর ২৪ সালের ভোট থেকে বুঝেছি কীভাবে ভোট চুরি আটকাতে হয়। এবার আর ছাড় নয়।”

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top