রাজ্য – চন্দ্রকোণা রোডে কনভয় লক্ষ্য করে হামলা এবং বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগে শনিবার সন্ধ্যায় চন্দ্রকোণা রোড পুলিশ বিট হাউসে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগের তির তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের দিকেই। চার ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেলেও নিজের অবস্থান থেকে নড়েননি তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তাঁর কনভয় যাওয়ার সময় একদল দুষ্কৃতী বাঁশ ও লাঠি নিয়ে গাড়ির উপর চড়াও হয়। গাড়ির কাঁচে লাঠি দিয়ে আঘাত করারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি। তাঁর আরও দাবি, পুলিশই তৃণমূল কর্মীদের খবর দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা করিয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে জনসভা শেষ করে ফেরার পথে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর কনভয় সমস্যায় পড়ে। বিজেপি কর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানাতে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন। ঠিক সেই সময়েই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।
ঘটনাটি ঘটে গড়বেতা থানার চন্দ্রকোণা রোড বাজার এলাকায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা নাগাদ। অভিযোগ, কনভয় চৌরাস্তা পার হওয়ার সময় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা পথ আটকে দাঁড়ান। লাঠি ও বাঁশ দিয়ে শুভেন্দুর গাড়িতে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। দু’পক্ষের মধ্যে স্লোগান বিনিময় শুরু হলে কয়েক মিনিট ধরে প্রকাশ্য রাস্তায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়।
এই ঘটনার প্রতিবাদে শুভেন্দুর কনভয়ে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, গোটা ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত চক্রান্ত।
যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। তাঁদের পাল্টা বক্তব্য, সিআরপিএফ বহিরাগত দুষ্কৃতীদের চিনতে না পেরে ভুলবশত বিজেপি নেতাকেই মারধর করেছে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।




















