বিনোদন – টেলিভিশন ও টলিউডের পরিচিত মুখ সৌমিতৃষা কুণ্ডু ‘মিঠাই’ সিরিয়ালের হাত ধরে দর্শকের মনে নিজের একটি আলাদা জায়গা তৈরি করেছিলেন। সিরিয়াল শেষ হতেই বড়পর্দায় দেবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ আসে এবং ‘কালরাত্রি’ ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে ওটিটিতেও অভিষেক ঘটে তার। তবে কর্মজীবনের শীর্ষে থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করেই সৌমিতৃষা কাজ থেকে দূরে সরে যান। জানা গেছে, তিনি একের পর এক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন।
সৌমিতৃষা নিজে সংবাদমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা তার জন্য কষ্টদায়ক ছিল। “আমার পিঠের একটা সমস্যা ছিল, যার কারণে আমি অনেকক্ষণ দাঁড়াতে পারতাম না। অনেকক্ষণ বসেও থাকতে পারতাম না। কোমরে টান লাগত। এটাকে সায়াটিকা বলে। সেই সময়ে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি, ওষুধ খেয়েছি, নার্ভের চিকিৎসা চলছিল এবং ফিজিওথেরাপিও করেছি। সব মিলিয়ে বিশাল সময় লেগেছে।”
অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন যে, এই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন যে তার বয়সের অনেক যুবা—ছেলে-মেয়েরা—এ ধরনের জটিল স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এখন সৌমিতৃষা অনেকটাই সুস্থ এবং সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘কালরাত্রি ২’ ওয়েব সিরিজ, যেখানে তার অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়েছে।
চিকিৎসকরা ব্যাখ্যা করেন, সায়াটিকা সাধারণত দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসা বা কাজ করার কারণে, মাঝেমধ্যেই হাঁটাচলার সুযোগ না থাকা, চাকা দেওয়া চেয়ারে বসা বা শরীরের প্রয়োজনীয় শ্রমের অভাবে হয়। সায়াটিকা স্নায়ুর উপর চাপ সৃষ্টি করে, যা ঊরুর পিছনের দিক থেকে পায়ের পিছনের দিকে ব্যথা ছড়ায়। কখনও কখনও পায়ের একাংশে অবশ অনুভূত হয়। ব্যথার তীব্রতা এতটাই বাড়তে পারে যে, উঠে দাঁড়ানোও সম্ভব হয় না। তাই সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক ওষুধ এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে সায়াটিকার ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।



















