বিদেশ -;আগেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এমনকি প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন, সেই পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতেও তিনি প্রস্তুত। যদিও নোবেল কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তবে নোবেল কমিটির অনুমোদন না মিললেও ট্রাম্পকে সম্মান জানাতে নিজের মতো করেই এগোলেন মাচাদো।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বৈঠকটিকে তিনি ‘দুর্দান্ত’ বলে বর্ণনা করেন। যদিও আলোচনায় ঠিক কোন কোন বিষয় উঠে এসেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। তবে এই বৈঠকের মধ্যেই ট্রাম্পের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের একটি পদক ‘উপহার’ হিসেবে তুলে দেন মাচাদো।
এই পদক ট্রাম্প গ্রহণ করেছেন কি না, সে বিষয়ে মাচাদো সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, তিনি ওই পদক পেয়েছেন। আমেরিকান প্রেসিডেন্টের দাবি, তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপই মারিয়া কোরিনা মাচাদো তাঁকে এই সম্মান প্রদান করেছেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, অতীতে একাধিকবার মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে কটাক্ষ করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন, নিজের কাজের জন্য তাঁরই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল। তবে বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর সেই সুরে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাচাদোর প্রশংসা করে ট্রাম্প লেখেন, “ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সঙ্গে দেখা করা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। তিনি একজন অসাধারণ নারী, যিনি অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন। তিনি আমার কাজের জন্য আমাকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করেছেন। এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অনন্য নিদর্শন।”
সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাচাদো জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার মানুষকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই কারণেই কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এই পদকটি তুলে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত মাসেই ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক গ্রেফতার করে আমেরিকান সেনা। তার পরেই সম্প্রতি নিজেকে ভেনেজুয়েলার কার্যকরী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই প্রসঙ্গ টেনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেষে ট্রাম্প লেখেন, “ধন্যবাদ, মারিয়া!”



















