দেশ – আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেটকে ঘিরে সোনার আকাশছোঁয়া দাম নিয়ন্ত্রণে বড় কোনো ঘোষণা হবে কি না, তা নিয়ে দেশজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে। বিশেষ করে গয়না ব্যবসায়ীদের একাংশ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের কাছে জোরালোভাবে দাবি জানিয়েছেন, বর্তমানে ১৬ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে তা ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হোক। তাঁদের মতে, শুল্ক কমলে সোনার দাম কিছুটা হলেও সাধারণ মানুষের নাগালে আসবে।
গয়না ব্যবসায়ীদের দাবি, অতিরিক্ত শুল্কের জেরে বাজারে কালোবাজারি ও চোরাচালান বেড়েছে। আমদানি শুল্ক কমানো হলে একদিকে যেমন বেআইনি পাচার কমবে, তেমনই মধ্যবিত্ত ক্রেতারাও তুলনামূলক কম দামে সোনা কিনতে পারবেন। বিশেষ করে বিয়ের মরসুম ও উৎসবের সময়ে এই সিদ্ধান্ত বাজারে স্বস্তি আনতে পারে বলেই মনে করছেন তাঁরা।
তবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই দাবির সঙ্গে একমত নন। তাঁদের মতে, আমদানি শুল্ক কমানো হলে হঠাৎ করে সোনার চাহিদা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যের উপর। ফলে শুধু দাম কমানোর লক্ষ্যেই শুল্ক ছাঁটাই করলে দীর্ঘমেয়াদে তার নেতিবাচক দিকও সামনে আসতে পারে বলে মত তাঁদের।
এই পরিস্থিতিতে চোরাচালান রোখা, বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সোনার দাম নিয়ন্ত্রণ—এই তিনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই অর্থমন্ত্রকের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত শুল্ক কমানোর পথে হাঁটবেন, নাকি কঠোর অবস্থান বজায় রাখবেন, তার স্পষ্ট উত্তর মিলবে বাজেট অধিবেশনেই।




















