বসিরহাট উত্তরের এইআরও-র বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের, সাসপেনশনের প্রক্রিয়া শুরু

বসিরহাট উত্তরের এইআরও-র বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের, সাসপেনশনের প্রক্রিয়া শুরু

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


উত্তর 24 পরগণা – ১২৫ নম্বর বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের এইআরও (AERO) সুমিত্র প্রতীম প্রধানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। তাঁকে সাসপেন্ড করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। বর্তমানে সুমিত্র প্রতীম প্রধান বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও পদে রয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সুমিত্র প্রতীম প্রধানকে সমস্ত নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের অভিযোগ, কোনও রকম পূর্বতথ্য না দিয়েই এবং কমিশনের অনুমতি ছাড়াই তিনি ১১ জন অতিরিক্ত এইআরও নিয়োগ করেছিলেন, যা সম্পূর্ণভাবে নিয়মবহির্ভূত।
এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তার বিস্তারিত তথ্যও জানাতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আইনবিরুদ্ধভাবে নিয়োগ করা ওই ১১ জন আধিকারিকের সমস্ত পদক্ষেপ আইনত অবৈধ বলে গণ্য হবে। তাঁরা যে সমস্ত শুনানি ও অন্যান্য নির্বাচনী কাজে যুক্ত ছিলেন, সেগুলি বাতিল বলে বিবেচিত হবে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সব শুনানি ফের নতুন করে, সঠিক নিয়ম মেনে সম্পন্ন করতে হবে।
শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে গৃহীত সব পদক্ষেপের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট যত দ্রুত সম্ভব কমিশনের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।
প্রসঙ্গত, ‘লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি’ তালিকা প্রকাশের পর ভোটার তালিকা সংশোধন ও শুনানি প্রক্রিয়া তথা SIR, ২০২৬ ঘিরে যাতে কোনও অশান্তি বা প্রশাসনিক গাফিলতি না ঘটে, সে জন্য আগেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্তাদের চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার নগরপালকে পাঠানো সেই চিঠিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, SIR পর্ব চলাকালীন সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রশাসনের দায়িত্ব। কমিশন সতর্ক করে বলেছে, এই নির্দেশ মানা না হলে বা কোনও প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে যদি ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top