কলকাতা – আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর দ্বিতীয় স্ত্রী অরুণা মার্ডি। বুধবার কলকাতায় এসে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি, উপস্থিত ছিলেন ব্রাত্য বসু ও বীরবাহা হাঁসদার। এই যোগদানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু দিল্লি থেকে জানান, ভোটের আগে সহানুভূতি পেতে তৃণমূল এসব করছে। তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের এটা নোংরা রাজনীতি। তবে কোনও সহানুভূতি পাবে না। ২০১৪ সাল থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। ও আলাদা থাকে, আলাদা বাড়ি করেছে। তৃণমূল কখনও সহানুভূতি পাবে না। ওরা আমাদের খুনেরও পরিকল্পনা করেছিল। সারা বাংলার আদিবাসীরা তৃণমূলের উপর ক্ষিপ্ত।”
অরুণা মার্ডি নিজে জানিয়েছেন, “আমি সিপিএম এবং বিজেপিতেও ছিলাম। কিন্তু সেখানে তেমন জায়গা পাইনি। আমি এসসি, এসটি মহিলাদের নিয়ে বেশি কাজ করতে চাই। তাই তৃণমূলে যোগ দিয়েছি।” এই যোগদান থেকে বোঝা যাচ্ছে, তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং আদিবাসীদের জন্য যে কাজ বিজেপি করছে না, তা আবারও প্রমাণিত হলো।
রাজনীতিবিদদের মতে, মালদহ উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে এবার খগেন মুর্মুর স্ত্রীকে তৃণমূলের টিকিটে দাঁড় করানো হতে পারে। এতে বিজেপির প্রচারে চাপ বাড়তে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, “এক সময়ে সিপিএম করতেন অরুণা। গণতান্ত্রিক মহিলা মোর্চার নেত্রী ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। এবার তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।”
এই ঘটনায় আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে রাজনীতিতে নতুন চমক তৈরি হয়েছে। বিজেপি এবং তৃণমূল শিবিরে এবার রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও দৃঢ় হবে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।




















