রাজ্য – ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি জানান, বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থীদের জেতানোর লক্ষ্যেই তাঁকে এই বিতর্কিত পথে হাঁটতে বলা হয়েছিল।
জনসভায় হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, তাঁর অতীতের মন্তব্যের জন্য তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। তাঁর দাবি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্যের পালটা দিতেই তাঁকে এমন ভাষা ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। দলীয় স্বার্থে সেই সময় তিনি নির্দেশ মেনেই বক্তব্য রেখেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে হুমায়ুন কবীরের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব সরকার স্পষ্ট জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ুন কবীরের এমন কোনও গোপন আলোচনা কখনও হয়নি। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এদিকে রাজনৈতিকভাবে আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন হুমায়ুন কবীর। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিকে রুখতে এআইএমআইএম এবং আইএসএফ-এর মতো দলগুলিকে একত্রিত করে জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য ও অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।




















