নৈনিতাল না ভীমতাল: পাহাড়ে ছুটির আদর্শ গন্তব্য কোনটি?

নৈনিতাল না ভীমতাল: পাহাড়ে ছুটির আদর্শ গন্তব্য কোনটি?

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


অফ বিট – নৈনিতাল মানেই পাহাড়, লেক আর রোম্যান্টিক ভিড়—এই ছবি সবার চোখের সামনে আসে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভ্রমণপিপাসুদের মধ্যে নতুন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, নৈনিতালই কি সেরা, নাকি তার পাশেই লুকিয়ে থাকা শান্ত সবুজ ভীমতাল আরও ভালো গন্তব্য? সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুলনা, তর্ক এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতার গল্প।
নৈনিতালের নাম শোনেননি এমন পর্যটক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। পাহাড়ের কোলে নীল জলরাশিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই জনপ্রিয় শৈলশহর। নৈনিলেকের ধারে সারাবছরই পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। লেকের চারপাশে সাজানো ফুটপাথ, দোকানপাট, ক্যাফে এবং মোমোর স্টল—সব মিলিয়ে নৈনিতাল যেন এক চিরচেনা ব্যস্ততার ছবি। সন্ধ্যা নামলেই পাহাড়ের গায়ে আলো-ঝলমলে হোটেল ও রেস্তোরাঁ শহরের কোলাহল আরও বাড়িয়ে তোলে। ভিড়, কেনাকাটা এবং মল রোডে হাঁটাহাঁটি—এই সবই নৈনিতালের মূল আকর্ষণ।
তবে সম্প্রতি নৈনিতালের কাছেই থাকা আরেক লেক শহর ভীমতাল পর্যটকদের নজর কেড়েছে। নৈনিতাল থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভীমতাল পৌঁছাতে গাড়িতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে। পথেই পড়ে সাততাল ও নাউকুচিয়াতাল, ফলে এক সফরে একাধিক লেক ঘুরে নেওয়া যায়।
নৈনিতালের তুলনায় ভীমতাল অনেকটাই আলাদা। এটি নৈনিতাল জেলার সবচেয়ে বড় হ্রদ। চারপাশে ঘন জঙ্গল, পাহাড় এবং প্রকৃতির নিঃশব্দ সৌন্দর্য্য ছড়িয়ে আছে। দোকানপাট কম, ভিড়ও কম। কথিত আছে, মহাভারতের ভীম এই হ্রদ তৈরি করেছিলেন। নৈনিতালের মত এখানেও বোটিং-এর ব্যবস্থা রয়েছে, তবে পরিবেশ অনেক বেশি শান্ত ও নিরিবিলি। হোটেলের ভাড়া কিছুটা বেশি হলেও, যদি শহরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির কোলে সময় কাটাতে চান, তাহলে ভীমতাল নিঃসন্দেহে আদর্শ গন্তব্য।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top