দেশ – বিরোধী দলনেতাকে রাষ্ট্রপতি অভিবাসনের জবাবি ভাষণ দিতে না পারার প্রতিশোধ Wednesday লোকসভায় নিল বিরোধীরা। বিরোধী দলগুলির বিক্ষোভের কারণে রাষ্ট্রপতি অভিবাসনের জবাবী ভাষণ দিতে পারলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিক্ষোভের জেরে বিকাল ৫টায় নির্ধারিত প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাতিল করতে বাধ্য হন সংসদ।
বুধবার বিকাল ৫টায় লোকসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর ভাষণ বাতিল করে দেন লোকসভার স্পিকার। একটি বই নিয়ে বিতর্কে অপ্রাসঙ্গিকভাবে রাহুল গান্ধীর ভাষণ বাতিল করার দাবি কংগ্রেস করেছে। এই নিয়ে মঙ্গলবারই লোকসভায় বিক্ষোভ দেখান বিরোধী সাংসদরা। ফলে ৭ কংগ্রেস সাংসদ ও এক সিপিআইএম সাংসদকে বাজেট অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়।
প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকেই লোকসভায় বিক্ষোভ শুরু করেন কংগ্রেসের সাংসদরা। তারা প্রধানমন্ত্রীর আসন ও ট্রেজারি বেঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান। হাতে পোস্টারে লেখা ছিল—“সেটাই করুন যেটা সঠিক।” মূলত যে বইয়ের কারণে মঙ্গলবার রাহুল গান্ধীর বক্তব্য বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল, সেটি প্রকাশিত বই হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। সংসদ চত্বরে সেই বইয়ের একটি কপি দেখান এবং ৮ বিরোধী সাংসদের সাসপেনশনকে প্রতিবাদ জানান।
সেই প্রতিবাদই লোকসভায়ও প্রভাব ফেলেছিল। কংগ্রেস সাংসদদের স্লোগান ও হট্টগোলের কারণে বিকাল পাঁচটায় অধিবেশন মুলতবি করতে হয়। আদতে সারাদিন হট্টগোলের কারণে অধিবেশন মুলতবি হতে পারে এমন আশঙ্কা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণ স্থির করা হয়েছিল বিকাল পাঁচটায়। তবে বিরোধী দলের বিক্ষোভের কারণে রাষ্ট্রপতির ভাষণের জবাবি ভাষণ দিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী।




















