এসআইআর শুনানির আগেই বাদ ৫০ হাজার ভোটারের নাম, আনম্যাপড তালিকা ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির আগেই বাদ ৫০ হাজার ভোটারের নাম, আনম্যাপড তালিকা ঘিরে চাঞ্চল্য

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – এসআইআর শুনানির শেষদিন শনিবার। তার আগেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল প্রায় ৫০ হাজার ভোটারের নাম। নির্বাচন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আনম্যাপড ভোটারদের যাঁদের শুনানির জন্য তলব করা হয়েছিল, তাঁদের অনেকেই নির্দিষ্ট দিনে হাজির হননি। এমনকি অনেকের কোনও খোঁজও পাওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই যাচাই-বাছাইয়ের পরে তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্য জুড়ে প্রায় ৩২ লক্ষের কাছাকাছি আনম্যাপড ভোটার রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে যাঁদের শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ১০ শতাংশেরও বেশি ভোটার শুনানিতে উপস্থিত হননি। এরপর বিভিন্ন তথ্য ও নথির ভিত্তিতে ঝাড়াই-বাছাই করে ওই ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, যেসব আনম্যাপড ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে বহু মানুষ হাজিরা দেননি। বিভিন্ন জেলার ইআরওদের কাছ থেকে এমন প্রায় পঞ্চাশ হাজার নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তাঁদের নাম সরাসরি বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
এখানেই শেষ নয়। নির্বাচন দপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে দেশে বসবাস করার অভিযোগেও বেশ কয়েকজনের নাম চিহ্নিত হয়েছে। ফরেনারস রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এমন ভোটারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজারের কাছাকাছি। সেই নামগুলিও ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে অবৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় রাখাও হবে না—এই নীতিতেই কাজ করছে কমিশন।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে প্রায় ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ জন ভোটারকে এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৩০ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এখনও প্রায় ২ কোটি ১৯ লক্ষের বেশি মানুষের শুনানি বাকি রয়েছে বলে নির্বাচন দপ্তর সূত্রে খবর।
তথ্য যাচাইয়ের পর প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটারের তথ্য আপলোড করা হয়েছে। আনম্যাপড ভোটারদের মধ্যে মূলত শুনানিতে অনুপস্থিত থাকার কারণেই প্রায় ৫০ হাজার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top