রাজ্য -;কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED) ফের সক্রিয় হয়েছে ভোটমুখী বাংলায় কয়লা পাচার মামলার নতুন এপিসোডে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই মামলায় আরও ১০০.৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্তি ২০০২ সালের মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের আওতায় সম্পন্ন হয়েছে। মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং তার সিন্ডিকেটের এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর মোট বাজেয়াপ্ত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
তদন্তে উঠে এসেছে, লালার নেতৃত্বে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধ খনন ও কয়লা চুরি চলত। স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় অবৈধভাবে কয়লা তোলা হতো এবং তা রাজ্যের বিভিন্ন কারখানায় সরবরাহ করা হতো। অনুপ মাঝি ‘লালা প্যাড’ নামে একটি অবৈধ ট্রান্সপোর্ট চালান চালু করেছিলেন, যা সিন্ডিকেটের কার্যক্রমকে আরও সংগঠিত করেছিল। ইডি সূত্রে জানা গেছে, পাচারের টাকা দুটি বেনামী সংস্থার জমি ও মিউচুয়াল ফান্ডে স্থানান্তরিত হয়েছিল। সামান্য চালান ব্যবহার করেও কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি গড়ে তোলা হয়েছিল। তবে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি এখনও মোট দুর্নীতির মাত্রার তুলনায় সামান্য; ধারণা করা হচ্ছে, মোট দুর্নীতির পরিমাণ প্রায় ২৭৪২ কোটি টাকা হতে পারে।
উল্লেখযোগ্য, এই মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২০ সালে সিবিআই (CBI) দ্বারা। রেলের সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা সামনে আসার পর আয়কর দফতরও অনুসন্ধান শুরু করে। এবার বিধানসভা ভোটের আগে ইডি নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোড়ন তুলেছে।



















