বাংলাদেশে নতুন অধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান

বাংলাদেশে নতুন অধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিদেশ – Sheikh Hasina-র সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান Tarique Rahman দুটি আসনেই জয়ী হয়ে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia-র পুত্র।
ফল ঘোষণা হওয়ার পরই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। শুধু সামাজিক মাধ্যমে বার্তা নয়, ফোন করেও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারেক রহমান। সূত্রের খবর, সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন মোদী। যদিও ভারত সরকার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি এবং মোদী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।
মোদীর বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ একই দিনে ভারতে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron। মুম্বাইয়ে মোদী ও ম্যাক্রোঁর বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। ফলে সময়সূচির সংঘাত তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif ঢাকায় শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশ সংসদ ভবনের সাউথ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক মহলের নজর থাকবে ভারতের অংশগ্রহণের দিকেও।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দিনের সূচনা হবে। দিনের শেষে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তারেক রহমানকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক Muhammad Yunus ১৩টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে ভারত, চিন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান।
বিএনপির মুখপাত্র ১৭ ফেব্রুয়ারিকে বাংলাদেশের জন্য ‘ঐতিহাসিক দিন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও নিবিড় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পর নতুন সরকার গঠন দেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। নতুন স্থায়ী সরকার গঠনের পর ভারত-বাংলাদেশ সহ আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top