দেশ – মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত—সব শ্রেণির মানুষের জন্যই স্বস্তির খবর। সোনা ও রুপোর দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে এখন স্পষ্ট পতনের পথে। ২৯ জানুয়ারি হঠাৎ করেই রুপোর দাম ৪ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছিল। সেই সময় পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল সোনার দামও। তবে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের পর থেকেই মূল্যবান এই দুই ধাতুর দামে ধারাবাহিকভাবে নিম্নগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সপ্তাহের প্রথম ট্রেডিং দিন সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (MCX) খোলার সঙ্গে সঙ্গেই সোনা ও রুপোর দাম আরও কমে যায়। গত সপ্তাহে সামান্য বৃদ্ধির পর সোমবার ট্রেডিং শুরুতেই ১ কেজি রুপোর দাম ৮ হাজার টাকারও বেশি কমেছে। ফলে সর্বোচ্চ দামের তুলনায় বর্তমানে প্রতি কেজি রুপো ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫৪৫ টাকা সস্তা হয়েছে।
গত শুক্রবার MCX-এ রুপোর দাম ২,৪৪,৩৬০ টাকায় বন্ধ হয়েছিল। সোমবার তা নেমে এসেছে ২,৩৫,৫০৩ টাকায়। অর্থাৎ একদিনেই ৮,৮৫৭ টাকার পতন হয়েছে। উল্লেখ্য, ২৯ জানুয়ারি রুপোর দাম রকেট গতিতে বেড়ে প্রতি কেজিতে ৪,২০,০৪৮ টাকায় পৌঁছে সর্বকালের রেকর্ড গড়েছিল। কিন্তু মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে সেই সর্বোচ্চ স্তর থেকে বিশাল পতন ঘটেছে।
রুপোর পাশাপাশি সোনার দামেও একই চিত্র। সোমবার MCX-এ ট্রেডিং শুরু হতেই ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৭০৪ টাকা কমেছে। গত শুক্রবার ২ এপ্রিল মেয়াদ শেষ হওয়া সোনার ফিউচার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৫৫,৮৯৫ টাকায় বন্ধ হলেও সোমবার তা নেমে আসে প্রায় ১,৫৪,১৯১ টাকায়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২৯ জানুয়ারি সোনার ফিউচার দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি ১০ গ্রামে ১,৯৩,০৯৬ টাকায় পৌঁছেছিল। বর্তমানে সেই সর্বোচ্চ স্তর থেকে সোনার দাম ৩৮,৯০৫ টাকা কমেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেট-পরবর্তী নীতিগত পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবেই এই পতন দেখা যাচ্ছে।




















