রাজ্য – জাতীয় নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সাতজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত বা সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তে প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর অধীনে নির্বাচন চলাকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা সরাসরি কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৩সিসি ধারা অনুযায়ী নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে কোনও রকম শিথিলতা বা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠলে তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ এক্তিয়ার কমিশনের রয়েছে।
এই নির্দেশ প্রশাসনিক স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশনের এই পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ইতিমধ্যেই রাজ্য প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনায় যুক্ত অন্যান্য কর্মী ও আধিকারিকদের মধ্যেও সতর্কবার্তা পৌঁছে গিয়েছে। দায়িত্ব পালনে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না—এই বার্তাই স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন।



















