রাজ্য – রাজ্য রাজনীতিতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সিপিএমের তরুণ মুখ প্রতীক উর রহমান। রাজ্য ও জেলা কমিটি থেকে তাঁর পদত্যাগ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা—তিনি কি বাম শিবির ছেড়ে অন্য কোনও দলে যোগ দিতে চলেছেন? রাজনৈতিক মহলে যখন নানা আলোচনা তুঙ্গে, তখন অবশেষে নীরবতা ভেঙে নিজেই মুখ খুললেন Pratik Ur Rahman।
তিনি জানিয়েছেন, তাঁর পদত্যাগপত্র প্রকাশ্যে আসার পর একাধিক রাজনৈতিক দল তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কারও সঙ্গে কথা বলেছেন, কারও সঙ্গে বলেননি। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন, নাকি অন্য পথে হাঁটবেন—সেই সিদ্ধান্ত সময়ের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন এই তরুণ বাম নেতা।
ভোটের আগে এমন পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে ফেলেছে Communist Party of India (Marxist) শিবিরকে। সূত্রের খবর, তাঁকে দলে ধরে রাখতে সক্রিয় হয়েছেন সিপিএমের প্রবীণ নেতা Biman Bose। ফোনে কথা বলে মানভঞ্জনের চেষ্টা চলছে বলেও আলিমুদ্দিন সূত্রে জানা গিয়েছে।
দলের একাংশের মতে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তরুণ ও সক্রিয় নেতা হিসেবে প্রতীককে সামনে রেখেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করা উচিত। কিন্তু দলের অন্দরের একাংশের ‘লবি’ সেই উদ্যোগে বাধা দিচ্ছে বলেও দাবি উঠছে, যা নিয়ে দলীয় মহলে অস্বস্তি বাড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে Pratik Ur Rahman শেষ পর্যন্ত বাম শিবিরেই থাকবেন, নাকি অন্য কোনও রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দেবেন—তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে আপাতত ধোঁয়াশা বজায় রাখতেই চাইছেন তিনি।
নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, “অনেক দল যোগাযোগ করেছে। কারও সঙ্গে কথা বলেছি, কারও সঙ্গে বলিনি। আমি বিজেপিতে যাব, নাকি সিপিএমে থাকব, নাকি অন্য কোথাও যাব—তা সময়ই বলবে। সময়ই সবচেয়ে বড় শিক্ষক।” পাশাপাশি রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি, যা জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।




















