বীরভূম – দোল বা বসন্ত মানেই রঙ, আনন্দ আর সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন। প্রতি বছর এই সময় হাজার হাজার মানুষ ছুটে যান Santiniketan—যেখানে বসন্তকে ঘিরে তৈরি হয় এক বিশেষ আবহ। Rabindranath Tagore-এর সৃষ্ট ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে যায় আবির, গান, নৃত্য আর কবিতার আবেশ।
তবে গত কয়েক বছরে সেই চেনা ছবিতে এসেছে কিছু পরিবর্তন। এ বছরও দোলের দিন ঐতিহ্যবাহী বসন্ত উৎসব পূর্ণমাত্রায় হচ্ছে না বলে আগেই জানিয়েছে Visva-Bharati University। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ জানিয়েছেন, উৎসবের নামে অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠান ও ঐতিহ্যের ক্ষতি করতে পারে। তাই আগের কয়েক বছরের মতো এ বারও সীমিত পরিসরেই বসন্ত উৎসব পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। প্রাক্তনী ও আশ্রমিকদের একাংশ সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও বহু পর্যটকের মধ্যে রয়েছে হতাশা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তবুও Bolpur শহরের বিভিন্ন এলাকায় বসন্ত উৎসব পালিত হবে। ফলে পর্যটকদের ভিড় যে একেবারে কমবে না, তা বলাই যায়।
এদিকে উৎসবের সময় হোটেল ভাড়া দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ হয়ে যাওয়ায় আগেভাগে বুকিং করা অত্যন্ত জরুরি।
কম খরচে কোথায় পাবেন হোটেল?
• উৎসবের সময় শান্তিনিকেতনের একেবারে কাছাকাছি বাজেট হোটেল পাওয়া বেশ কঠিন।
• বোলপুর শহর থেকে ৪-৫ কিলোমিটার দূরে থাকার ব্যবস্থা খুঁজলে তুলনামূলক কম খরচে ঘর মিলতে পারে।
• স্টেশন থেকে বেরিয়ে নির্দিষ্ট প্রধান রাস্তা ছেড়ে একটু ভেতরের দিকে গেলে ছোট লজ বা সস্তা হোটেল পাওয়া যায়।
• বিকল্প হিসেবে ভাবতে পারেন Sainthia-র কথা। স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় তুলনামূলক কম ভাড়ায় হোটেল পাওয়া যায়।
• সাঁইথিয়া থেকে লোকাল ট্রেনে সহজেই বোলপুর-শান্তিনিকেতন যাতায়াত করা যায়, ফলে থাকার খরচ অনেকটাই কমে।
• আশেপাশের ছোট শহর বা স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকলেও খরচ বাঁচানো সম্ভব।
বসন্তের রঙে ভেজা শান্তিনিকেতন এখনও পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র। শুধু একটু আগেভাগে পরিকল্পনা আর সঠিক জায়গায় বুকিং করলেই আপনার দোল ভ্রমণ হয়ে উঠতে পারে আরও স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময়।



















