পুজোয় সরকারি হাসপাতালে প্রসূতি পরিষেবা নিয়ে কড়া নির্দেশ, ‘ডাক্তার নেই’ যাতে না শুনতে হয়, রোস্টার তৈরির নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের

পুজোয় সরকারি হাসপাতালে প্রসূতি পরিষেবা নিয়ে কড়া নির্দেশ, ‘ডাক্তার নেই’ যাতে না শুনতে হয়, রোস্টার তৈরির নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা

দুর্গাপুজোর ছুটিতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, বিশেষ করে প্রসূতি ও গর্ভবতী মহিলাদের চিকিৎসায় যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। পুজোর সময় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, পুজোর ছুটির কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবায় কোনওরকম ঘাটতি রাখা যাবে না। বিশেষ করে প্রসূতি বিভাগের ক্ষেত্রে আগে থেকেই চিকিৎসকদের ডিউটির রোস্টার তৈরি করতে হবে। কোন দিনে কোন চিকিৎসক দায়িত্বে থাকবেন, সেই তালিকা আগেভাগেই প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা হাসপাতাল থেকে শুরু করে মহকুমা হাসপাতাল এবং স্টেট জেনারেল হাসপাতাল—সব জায়গাতেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও পরিষেবা দেওয়ার মতো কর্মী উপস্থিত রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এই হাসপাতালগুলিতে সব সময় সিনিয়র গাইনোকোলজিস্টের উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।

রোস্টার তৈরির ক্ষেত্রেও বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। রোস্টার তৈরির দায়িত্বে থাকা আধিকারিক বা ব্যক্তিদের নাম, পদ এবং যোগাযোগের যাবতীয় তথ্য লিখিতভাবে রাখতে হবে। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

শুধু নির্দেশিকা জারি করেই থেমে থাকছে না স্বাস্থ্য দফতর। পুজোর দিনগুলিতে হাসপাতালগুলিতে আচমকা সারপ্রাইজ ভিজিটও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট, গাইনোকোলজি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের হেড অফ দ্য ডিপার্টমেন্ট হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পারেন।

বিশেষ করে দুর্গোৎসবের সময় কোনও গর্ভবতী মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হলে তাঁর চিকিৎসা যাতে কোনওভাবেই আটকে না যায়, সেদিকেই জোর দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক বা প্রয়োজনীয় পরিষেবার কর্মীর অভাবে রোগীকে সমস্যায় পড়তে না হয়, সেই ব্যবস্থা আগেই নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুজোর ছুটিতে অন্যান্য পরিষেবার মতো হাসপাতালেও কর্মীদের ছুটি ও ডিউটির সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেই কারণেই এবার আগেভাগে রোস্টার তৈরি করে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও কর্মী মোতায়েন রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। পুজোর দিনগুলিতে সরকারি হাসপাতালের প্রসূতি পরিষেবা কতটা স্বাভাবিক থাকে, এখন সেদিকেই নজর।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top