নয়াদিল্লি: দিল্লিতে CJP-র সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হল। CJP প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর সভানেত্রী নেহা বোরার আয়োজিত ওই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত একাংশের প্রবল প্রতিবাদে উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই আসন ছেড়ে উঠে যেতে বাধ্য হন অভিজিৎ ও নেহা।
সাংবাদিক বৈঠকে নেহা বোরা ও অভিজিৎ দীপকে বক্তব্য রাখার সময়ই উপস্থিত দর্শকদের একাংশ চিৎকার করে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। তাঁদের বলতে শোনা যায়, “বন্ধ কর তোমাদের সম্মেলন। দূর হটো।” আচমকা এই বিক্ষোভে সাংবাদিক বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নেহা আয়োজকদের গোলমাল সৃষ্টিকারীদের দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার জেরে নেহা বোরা ও অভিজিৎ দীপকে তাঁদের আসন ছেড়ে উঠে চলে যান। এই হট্টগোলকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রতিবাদ, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে।
সম্প্রতি নেহা বোরার একটি মন্তব্যকে ঘিরেও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-বিরোধী আন্দোলনে পরিচিত মুখ হিসেবে উঠে আসা নেহা ২০২৪ সালের বাংলাদেশের জেন জি ছাত্র আন্দোলনের প্রশংসা করেছিলেন এবং সেই আন্দোলন তাঁদের পথ দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের কিছু মন্তব্যও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। এই বক্তব্যগুলিকে ঘিরে বিজেপি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দিল্লির সাংবাদিক বৈঠকে হট্টগোলের ঘটনা রাজনৈতিক মতবিরোধের প্রকাশ হিসেবে সামনে এলেও, প্রতিবাদের নেপথ্যে নির্দিষ্ট কারণ এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সে বিষয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য প্রয়োজন। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য সামনে এলে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।




















