কনট প্লেসে বিক্ষোভে ব্যবসার ক্ষতির আশঙ্কা, ব্যবসায়ী সংগঠনের আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

কনট প্লেসে বিক্ষোভে ব্যবসার ক্ষতির আশঙ্কা, ব্যবসায়ী সংগঠনের আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



নয়াদিল্লি: বিক্ষোভের জেরে ব্যবসা বন্ধ হলে ক্ষতির দায় কার? প্রতিবাদের অধিকার এবং ব্যবসায়ীদের জীবিকা—এই দুইয়ের টানাপড়েনের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দিল্লির একাধিক ব্যবসায়ী সংগঠন। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভ এবং তার জেরে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।

শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। তবে এদিন কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, বিক্ষোভের কারণে ব্যবসায় বেআইনি বাধা তৈরি হলে আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। মামলার পরবর্তী শুনানি অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে হবে বলে জানানো হয়েছে।

দিল্লি কিরানা কমিটি এবং দিল্লি আয়রন অ্যান্ড হার্ডওয়্যার মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এই আবেদন জানিয়েছে। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির দাবি, কনট প্লেসে বিক্ষোভের কারণে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাঁদের আশঙ্কা, উৎসব ও বিয়ের মরসুমে ব্যবসা ব্যাহত হলে ছোট দোকানদার থেকে শুরু করে বহু পরিবারের রোজগারে টান পড়বে।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ছোট ব্যবসায়ীদের জীবিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ, বছরের এই সময়েই অনেক ছোট দোকানদার ভালো ব্যবসার আশায় থাকেন। বিক্ষোভের কারণে তাঁদের ব্যবসা ব্যাহত হলে তার প্রভাব বহু পরিবারের উপর পড়তে পারে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম, কেউ বিক্ষোভ করতে চান, কেউ চিনাবাদাম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন, আবার কেউ আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্বে রয়েছেন—এই সমস্ত বিষয় পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।

প্রতিবাদের অধিকার এবং সাধারণ মানুষের জীবিকা ও আইনশৃঙ্খলার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রশ্নেই মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আপাতত সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top